Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Engineer's Day 2022 : ১৫ সেপ্টেম্বর কেন পালন করা হয় ইঞ্জিনিয়ার্স ডে? জানুন আসল কারণ
ভারতের অন্যতম সেরা ইঞ্জিনিয়ার এম বিশ্বেশ্বরাইয়া-র স্মরণে, প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে 'ইঞ্জিনিয়ার্স ডে' পালন করা হয়। কারিগরি ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অতুলনীয়। এম বিশ্বেশ্বরাইয়া-কে অন্যতম প্রধান nation-builders হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যাঁর হাত ধরে আধুনিক ভারত নির্মিত হয়েছিল। ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া (IEI) অনুসারে, তাঁকে 'precursor of economic planning in India' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আসুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিত।

এম বিশ্বেশ্বরাইয়া কে?
১৮৬১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর কর্নাটকের এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এম বিশ্বেশ্বরাইয়া। পুণে কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯১২ সালে তিনি তৎকালীন মহীশুরের দেওয়ান হিসেবে নিযুক্ত হন, তারপরেই কর্নাটকের কারিগরি ও প্রযুক্তি শিল্পে বিরাট পট পরিবর্তন ঘটে যায়। জলসেচন ও বন্যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ভোলার মতো নয়। আধুনিক সেচ কৌশল, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশমন, এই সব ক্ষেত্রগুলিতে তাঁর অবদানের জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
১৯০৩ সালে বিশ্বেশ্বরাইয়া-র উদ্যোগেই পুণেতে বন্যার জল নিয়ন্ত্রণের উপযোগী অটোমেটিক ফ্লাড বোট বসানো সম্ভব হয়েছিল। শুরু হয়েছিল সেচ ব্যবস্থাও। তিনি কর্নাটকের মান্ড্য জেলার কৃষ্ণ রাজা সাগর বাঁধ নির্মাণের মূল স্থপতি ছিলেন এবং হায়দ্রাবাদের বন্যা সুরক্ষা ব্যবস্থারও চিফ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। এছাড়াও, ১৯১৭ সালে বিখ্যাত সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে University Visvesvaraya College of Engineering নামে পরিচিত। বেঙ্গালুরুতে পলিটেকনিক কলেজও তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের কৃষি প্রযুক্তিতেও তাঁর অবদান রয়েছে। কর্নাটক ও হায়দরাবাদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, ব্যাঙ্কিং পরিষেবা, শিক্ষা ব্যবস্থাতেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।
এই সবকিছুর জন্যই রাজা পঞ্চম জর্জের আমলে ব্রিটিশদের পক্ষ থেকে বিশ্বেশ্বরাইয়া-কে নাইট উপাধি দেওয়া হয়। ১৯৫৫ সালে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন-এ ভূষিত করা হয়। এমন এক মানুষকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর দেশজুড়ে তাঁর জন্মদিন, ১৫ সেপ্টেম্বরকে 'ইঞ্জিনিয়ার্স ডে' হিসেবে পালন করা হয়।
ইঞ্জিনিয়ার্স ডে-এর থিম
প্রতি বছরই নতুন নতুন থিমের মাধ্যমে পালন করা হয় ইঞ্জিনিয়ার্স ডে। কারিগরি ও প্রযুক্তিতে দেশের কতটা অগ্রগতি হল এবং তাতে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা কতটা, তা তুলে ধরার জন্যই এই দিবস পালন করা হয়।
ইঞ্জিনিয়ার্স ডে ২০২১-এর থিম ছিল 'Engineering for A Healthy Planet- Celebrating the UNESCO Engineering Report'. তবে এ বছর এখনও কোনও থিম ঘোষণা করা হয় নি।



Click it and Unblock the Notifications
