সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়া পেতে এবং অনেকে টাকার মালিক হয়ে উঠতে কী কী গাছ বাড়িতে রাখা উচিত এবং কী কী নয়?

Subscribe to Boldsky

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে গৃহস্থের অন্দরে যদি বাস্তু দোষ থাকে, তাহলে নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, কর্মক্ষেত্র থেকে সামাজিক জীবন, সব ক্ষেত্রেই এত ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে যে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না। তাই তো এই প্রবন্ধে এমন কিছু গাছের সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা ভুলেও বাড়ির অন্দরে রাখা উচিত নয়। কারণ বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এই গাছগুলি বাড়িতে রাখলে খারাপ শক্তির প্রবেশ ঘটে। ফলে নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে বাস্তু দোষ দেখা দেওয়ায় শরীর এবং মনের উপর ও খারাপ প্রভাব পরে।

এখন প্রশ্ন হল সুখে-শান্তিতে থাকতে কী কী গাছ বাড়িতে রাখা চলবে না? এই প্রশ্নের উত্তর তো পেয়ে যাবেনই, কিন্তু তার আগে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করার প্রয়োজন রয়েছে। তা হল এমন কিছু গাছ রয়েছে, যা বাড়িতে রাখলে সব দারুন উপকার পাওয়া যায়, বিশেষত বড়লোক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে পরিবারের কারও কোনও বিপদ ঘটার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। এখন প্রশ্ন হল এত সব উপকার পেতে কী কী গাছ লাগাতে হবে? এই প্রশ্নের উত্তর থোঁজার চেষ্টা করা হবে বাকি লেখাজুড়ে। তবে তার আগে কোন কোন গাছ আমাদের জীবনে নানাবিধ অশান্তি ডেকে আনতে পারে, সে সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

মূলত যে যে গাছগুলি গৃহস্থে থাকা একেবারেই উচিত নয়, সেগুলি হল...

১. বাবলা গাছ:

১. বাবলা গাছ:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে কাঁটা জাতীয় গাছ ভুলেও বাড়িতে রাখা চলবে না। আর বাবলা গাছ যেহেতু কাঁটা জাতীয় গাছ, তাই এই গাছটি বাড়িতে রাখলে অশুভ শক্তির প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে। আর এমনটা হলে কতটা যে ক্ষতি হতে পারে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

২. বাড়ির উত্তর এবং পূর্ব দিকে নয়:

২. বাড়ির উত্তর এবং পূর্ব দিকে নয়:

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে বাড়ির উত্তর এবং পূর্ব দিকে টবে পোঁতা গাছ রাখা একেবারেই উচিত নয়। কারণ এমনটা করলে কুবের দেবের প্রবেশ আটকে যায়। ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি লাভের সম্ভাবনা যায় কমে। আর এমনটা অপনার সঙ্গে ঘটুক, যদি না চান, তাহলে এই নিয়মটি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

৩. মেহেন্দি গাছ:

৩. মেহেন্দি গাছ:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে তেঁতুল গাছের মতো মেহেন্দি গাছ বাড়িতে রাখলেও খারাপ শক্তির প্রবেশ ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার সম্ভবনাও বৃদ্ধি পায়। তাই এমনসব ঘটনা অপনার সঙ্গেও ঘটুক, যদি না চান, তাহলে ভুল করেও বাড়িতে মেহেন্দি গাছ পুঁতবেন না যেন!

৪. ক্যাকটাস গাছ:

৪. ক্যাকটাস গাছ:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ক্যাকটাসের মতে কাঁটা জাতীয় গাছ বাড়িতে রাখা উচিত নয়। কারণ কাঁটা মানেই যন্ত্রণা। তাই তো এমন গাছ বাড়িতে রাখলে দুঃখে ভরে ওঠে জীবন। সেই সঙ্গে কন্টকময় হয়ে ওঠে জীবনের চলার পথ। তাই সুখে শান্তিতে থাকতে যদি চান, তাহলে ভুলেও ক্যাকটাস গাছ বাড়িতে আনা চলবে না।

৫. তুলো গাছ:

৫. তুলো গাছ:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে তুলো গাছ বাড়িতে পোঁতা মানে খারাপ শক্তিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসা। আর এমনটা করলে ভগবানই সহায়। তাই নিজেকে এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের নানাবিধ ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে তুলো গাছের ধারে কাছেও যাবেন না।

৬. বনসাই:

৬. বনসাই:

ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে অনেকেই শোয়ার ঘরে বা বসার ঘরে বনসাই গাছ রেখে থাকেন। কিন্তু এমনটা করা উচিত নয়। কারণ এই ধরনের গাছ অশুভ শক্তির মাত্রাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই তো বাস্তু বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের গাছ রাখতে মানা করেন। প্রসঙ্গত, বনসাইয়ের পাশাপাশি ঘরের চার দেওয়ালের অন্দরে লাল ফুল ফোটে এমন গাছ রাখাও চলবে না। তবে ইচ্ছা হলে বাড়ির বাইরে এই ধরনের গাছ রাখতেই পারেন, তাতে কোনও ক্ষতি নেই!

৭. মরে যাওয়া গাছ:

৭. মরে যাওয়া গাছ:

বাড়িতে রাখা যদি কোনও গাছ মারা যায়, তাহলে সময় নষ্ট না করে সেটিকে বাইরে ফেলে দেবেন। না হলে কিন্তু ব্যাড লাক রোজের সঙ্গী হবে। আর এমনটা হলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি সুখ-শান্তির ঝাঁপি খালি হতেও সময় লাগবে না। আর এমনটা হলে জীবন যে দুর্বিসহ হয়ে উঠবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৮. তেঁতুল গাছ:

৮. তেঁতুল গাছ:

বিশ্বাস করা হয় যে তেঁতুল গাছ বাড়িতে থাকলে ইভিল স্পিরিট বা আত্মার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। আর এমনটা হলে কতটা যে ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না। প্রসঙ্গত, বাড়ির অন্দরে একবার যদি কোনও ভাবে খারাপ আত্মার প্রবেশ ঘটে যায়, তাহলে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের কোনও না কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ-সুন্দরভাবে যদি বাঁচতে চান, তাহলে ভুলেও বাড়িতে তেঁতুল গাছ লাগাবেন না যেন!

এবার জেনে নেওয়ার পালা কী কী গাছ বাড়িতে রাখা বেজায় শুভ...

১. তুলসি গাছ:

১. তুলসি গাছ:

শাস্ত্রে বলে যে বাড়িতে তুলসি গাছ রয়েছে, সে পরিবারের উপর সারাক্ষণ ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ থাকে। আর এমনটা যখন হয়, তখন জীবন পথে চলতে চলতে সামনে আসা যে কোনও বাঁধা সরে যেতে যে সময় লাগে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! তাই তো বলি বন্ধু যদি চান পরিবারের অন্দরে সুখ এবং সমৃদ্ধির ঘড়া কখনও খালি না হোক, তাহলে বাড়িতে তুলসি গাছ এনে রাখতে ভুলবেন না যেন!

২. বাঁশ গাছ:

২. বাঁশ গাছ:

এক ধরনের চাইনিজ বাঁশ গাছ পাওয়া যায়, তা যদি বাড়ির ড্রয়িং রুমে এনে রাখা যায়, তাহলে গৃহস্থের প্রতিটি কোনায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া তো লাগেই, সেই সঙ্গে অল্প সময়ে বড় লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতেও সময় লাগে না।

৩. মানি প্লান্ট:

৩. মানি প্লান্ট:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়ির উত্তর অথবা পূর্ব দিকে মানি প্লান্ট এনে রাখলে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয় জীবনে কখনও টাকা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা পরার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে পরিবারের অন্দরে খারাপ শক্তির প্রবেশও আটকে যায়।

৪. নিম গাছ:

৪. নিম গাছ:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে নিম গাছ পুঁতলে গৃহস্থের অন্দরে খারাপ শক্তির প্রবেশ আটকে যায়, সেই সঙ্গে বাড়ির প্রতিটি কোনায় পজেটিভ শক্তির বিকাশ এত মাত্রায় ঘটে যে জীবনের ছবিটা বদলে যেতে সময় লাগে না। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, তা হল গাছটি বাড়ির উত্তর-পশ্চিম দিকে পুঁততে হবে, তবেই কিন্তু নানা উপকার মিলবে।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: বিশ্ব
    English summary

    DIVINE VASTU TIPS: PLANTS AND TREES TO KEEP IN YOUR HOUSE FOR WEALTH AND PROSPERITY

    Green plants and trees add an element of beauty to a home and also contribute to fresh oxygen and cleanse the air. However, an effort needs to be put into choosing the right sort of plants. If they don’t comply with the principles of Vastu and are placed in the wrong direction, it could have an adverse impact on the inhabitants of the house.
    Story first published: Friday, June 29, 2018, 12:57 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more