For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৮-৮০ সবারই অষ্ট ধাতু দিয়ে তৈরি আংটি পরা উচিত কেন জানা আছে?

|

হঠাৎ ফোনের রিংটা বাজছে। ফোনটা ধরা মাত্র জানতে পারলেন আপনার পরিবারে কেউ মারাত্মক চোট পেয়েছে। তখন মনের অবস্থাটা কেমন হবে বলুন তো! অথবা ধরুন একদিন দেখলেন হঠাৎ করেই ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে। কী করবেন তখন? এমন সব পরিস্থিতির খপ্পরে পরতে আমরা কেউই চাই না। বিশেষত নিজের অথবা প্রিয় কারও শারীরিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হোক এমনটা কেইবা চায় বলুন! তাই তো ভগবানের উপর ভরসা রেখে আমরা নিজেদের জীবনকে কিছুটা হলেও সুরক্ষিত করার চেষ্টা করি। কিন্তু প্রতিদিন এমন পুজো-অর্চনা করে কি বাস্তবিকই নিজেকে অথবা প্রিয়জনেদের নানা বিপদ থেকে বাঁচানো সম্ভব?

না, এমনটা যে সম্ভব নয়, তা তো সবারই জানা। তাই প্রশ্ন এখন হল এমন পরিস্থিতিতে সুখ-স্বাচ্ছন্দে বাঁচা যায় কীভাবে? কীভাবেই নিজের আশেপাশকে সুরক্ষিত করা যায়? এক্ষেত্রে একটি জিনিসের উপর ভরসা রাখতে পারেন। কী জিনিস তাই ভাবছেন তো?

তেমন কিছু না বন্ধু, সোনা, রূপো,কপার, জিঙ্ক, লেদ, টিন, লোহা এবং পারদকে মিশিয়ে একটি আংটি বানিয়ে ফেলুন, যাকে সহজ ভাষায় অনেকে অষ্ট ধাতুর আংটিও বলে থাকেন। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে অষ্ট ধাতুর আংটি পরলে একদিকে যেমন খারাপ কোনও ঘটনা ঘটার আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, হঠাৎ করে কোনও দুর্ঘটনার খপ্পরে পরার সম্ভাবনাও যায় কমে। তবে এখানেই শেষ নয়, অষ্ট ধাতুর উপর সূর্যের আলো পরা মাত্র আমাদের শরীর এবং মন যেমন চাঙ্গা হয়ে ওঠে, তেমনি আরও নানাবিধ উপকার পাওয়ার পথও প্রশস্ত হয়। যেমন ধরুন...

১. খারাপ শক্তির প্রভাব কমে:

১. খারাপ শক্তির প্রভাব কমে:

বিশ্বাস করুন বা না করুন একথা মানতেই হবে যে আমাদের আশেপাশে যেমন পজেটিভ শক্তি রয়েছে, তেমনি নেগেটিভ শক্তির উপস্থিতিও পরিলক্ষিত হয়। এখন কোনও কারণে যদি নেগেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তাহলে কিন্তু বিপদ। কারণ সেক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে, এমনকি হঠাৎ করে দুর্ঘটনার খপ্পরে পরে হাত-পা ভাঙারও আশঙ্কা থাকে। তাই তো বলি নিজেকে এই নেগেটিভ এনার্জির খারাপ প্রভাব থেকে যদি বাঁচাতে হয়, তাহলে অষ্ট ধাতুর আংটি পরতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমন অংটি পরলে খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার সম্ভাবনা যায় কমে।

২. পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে:

২. পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে আটটি ধাতু দিয়ে বানানো এই আংটিটি পরা মাত্র আমাদের আশেপাশে পজেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে গৃহস্থের অন্দরে উপস্থিত খারাপ শক্তির মাত্রাও কমতে শুরু করে। আর এমনটা যখন হয়, তখন সুখের ঝাঁপি খালি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পরিবারের অন্দরে কোনও ঝামেলা বা কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও যায় কমে।

৩. খারাপ চিন্তা দূরে পালায়:

৩. খারাপ চিন্তা দূরে পালায়:

আজকের দিনে দুশ্চিন্তা এবং স্ট্রেসই হল সেই দুই বিষ, যা আমাদের সুখ-শান্তির পরিপন্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তো খারাপ এবং অকেজো চিন্তাকে কীভাবে এড়িয়ে চলা সম্ভাব, সে বিষয়ে সবারই একটু চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। তবে এক্ষেত্রে কিন্তু অষ্ট ধাতুর আংটিটা দারুন কাজে আসে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই বিশেষ ধরনের আংটিটি পরা মাত্র আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্ক এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে খারাপ চিন্তার জায়গা নেয় পজেটিভ থটস। ফলে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে চিন্তার কবলে পরে ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এবং হার্টের রোগের মতো মারণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. মনের জোর বাড়ে:

৪. মনের জোর বাড়ে:

শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে অষ্ট ধাতুর আংটিটি পরা মাত্র এমন কিছু হয় যে তার প্রভাবে যে কোনও ধরনের ভয় দূর হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে মনের জোরও বাড়ে। ফলে জীবনে পথে চলতে চলতে সামনে আসা যে কোনও বাঁধা পেরিয়ে যেতে সময় লাগে না।

৫. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

৫. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে:

শরীরের উপর ধাতুর প্রভাব সম্পর্কে যারা গবেষণা করেন, তাদের মতে যে যে উপাদানগুলি দিয়ে এই আংটিটি বানানো হয়, তার প্রতিটি ধাতুর সুপ্রভাব পরে শরীর এবং মনের উপর। ফলে একদিকে যেমন কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি পজেটিভ শক্তির প্রভাবে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভের পথও প্রশস্ত হয়। ফলে অর্থনৈতির উন্নতির স্বাদ পেতে সময় লাগে না।

৬. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়:

৬. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই বিশেষ ধরনের আংটি শরীরের উপর যেমন সুপ্রভাব ফেলে থাকে, তেমনি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর ব্রেন পাওয়ার যখন বৃদ্ধি পায়, তখন বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং কগনিটিভ পাওয়ার বাড়তে যে সময় লাগে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

৭.গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়:

৭.গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়:

ভাগ্য যখন ফেরে তখন জীবনের গাড়িটা যে তরতরিয়ে এগিয়ে যায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে। তাই ভাগ্যকে সঙ্গ করে যদি চরম সফলতার স্বাদ পেতে চান, তাহলে অষ্ট ধাতুর আংটি পরতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই অংটিটি পরা মাত্র খারাপ সময় কাটতে শুরু করে। ফলে জীবনের ছবিটা যে বদলে যায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!

৮. রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:

৮. রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:

ব্যথা,যন্ত্রণা, ক্লান্তি এবং নানাবিধ রোগে কি জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে? তাহলে আজই অষ্ট ধাতুর আংটি বানিয়ে পরে ফেলুন। দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন! আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে আংটিটি পরা মাত্র শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রোগ-ব্যাধি দূরে পালাতে সময় লাগে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো!

Read more about: বিশ্ব
English summary

Benefits Wearing Ashtadhatu Rings

Ashta Dhatu Ring is worn on a favorable day. After putting on the ring, the wearer needs to concentrate on his desires and register them onto his sub-conscious. The power of the gem compounded with that of the subconscious, empowers the person, leading to enhanced confidence, and an end to financial, material, personal and mental problems.
Story first published: Wednesday, August 22, 2018, 15:56 [IST]
X