সরকারি চাকরি পেতে চান নাকি? তাহলে জ্যোতিষশাস্ত্রে আলোচিত এই নিয়মগুলি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

বিশেষ কিছু অ্যাস্ট্রোলজিকাল নিয়ম মেনে চললে আমাদের ভাগ্য ফিরে যেতে সময় লাগবে না। ফলে মনের মতো সরকারি চাকরি মেলার সম্ভাবনাও যাবে বেড়ে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বছরের পর বছর ধরে একটা মনের মতো সরকারি চাকরি জোটানোর চেষ্টায় লেগে রয়েছেন। কিন্তু হাজারও চেষ্টার পরেও ফল মিলছে না! তার উপর এখন তো একটা পদের জন্য অ্যাপলাই করছে প্রায় হাজার হাজার মানুষ। তাই তো বলি বন্ধু, এমন পরিস্থিতিতে সরকারি চাকরি যদি জোটাতে হয়, তাহলে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তো পরিশ্রম করতেই হবে, সেই সঙ্গে একবার এই লেখাটি না পড়লে কিন্তু চলবে না।

কেন, কী এমন লেখা রয়েছে এই প্রবন্ধে, যে না পড়লে সরকারি চাকরি মিলবে? আসলে বন্ধু প্রায় হাজার বছর আগে জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর কিছু বই লেখা হয়েছিল। তাতে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে বিশেষ কিছু অ্যাস্ট্রোলজিকাল নিয়ম মেনে চললে আমাদের ভাগ্য ফিরে যেতে সময় লাগবে না। ফলে মনের মতো সরকারি চাকরি মেলার সম্ভাবনাও যাবে বেড়ে।

জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে কে কেমন চাকরি পাবে এবং কর্মক্ষেত্রে কতটা উন্নতি লাভ করবেন তা নির্ভর করে শনি গ্রহের উপর। তাই তো জন্মকুষ্টিতে এই গ্রহটির অবস্থান বিগড়ে গেলে বা দুর্বল হয়ে পরলে চাকরি-বাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন হাজারো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তেমনি পরিবারিক অশান্তি দেখা দেওয়ার এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। অন্যদিকে শনি গ্রহ শক্তিশালী হয়ে উঠলে মনের মতো চাকরি মিলতে একেবারেই সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু, সময় থাকতে থাকতে যদি সরকারি চাকরি পেতেই হয়, তাহলে শনি দেবকে সদা সুখি রাখতে হবে। আর এই কাজটি করবেন কীভাবে?

১. নিয়মিত পাঠ করতে হবে শনি যন্ত্র:

১. নিয়মিত পাঠ করতে হবে শনি যন্ত্র:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে একটা শনি যন্ত্র স্থাপন করে যদি নিয়মিত পুজো করা যায় এবং পাঠ করা যায় "ওম প্রাং প্রেং প্রাউং শাহ সহেয়েশ্চারায় নমহ", এই মন্ত্রটি, তাহলে শনি দেব এতটাই প্রসন্ন হন যে দ্রুত ফল মেলার সম্ভাবনা যায় বেড়ে। তবে এক্ষেত্রে আরও কতগুলি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। যেমন ধরুন- প্রতিদিন স্নান সেরে এই পুজো করতে হবে, পুজোর আগে সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে তারপর শুরু করতে হবে মন্ত্রপাঠ এবং মন্ত্রটি প্রতিদিন ১০৮ বার পাঠ করতেই হবে। প্রসঙ্গত, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ৪০ দিনের মধ্যে ১৯০০০ বার যদি মন্ত্রটি পাঠ করা হয়, তাহলে মনের মতো ফল মিলতে একেবারেই সময় লাগে না।

২. শনি স্তোস্ত্র পাঠ করা জরুরি:

২. শনি স্তোস্ত্র পাঠ করা জরুরি:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে টানা ২১ দিন যদি নিয়ম করে শনি স্তোস্ত্র পাঠ করা হয়, তাহলে চাকরি সংক্রান্ত যে কোনও বাঁধা সরে যেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি টাকা-পয়সা সংক্রান্ত সমস্যাও দূর হয়। তাই তো বলি বন্ধু, মনের মতো চাকরি পাওয়ার পাশাপাশি যদি বাকি জীবনটা সুখে-শান্তিতে কাটাতে হয়, তাহলে শনি স্তোস্ত্র পাঠ করতে ভুলবেন না যেন!

৩. সরষের তেল,তিল বীজ এবং উরাদ ডাল দান করতে হবে:

৩. সরষের তেল,তিল বীজ এবং উরাদ ডাল দান করতে হবে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি শনিবার যদি গরীব মানুষদের সরষের তেল, তিল বীজ এবং ডাল দান করা যায়, তাহলে শনি দেব বেজায় প্রসন্ন হন। আর এমনটা হলে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব কেটে যেতে যে সময় লাগে না, তা বলাই বাহুল্য! তাই তো বলি বন্ধু, মনের মতো চাকরি পাওয়ার পাশাপাশি শনি দেবের আশীর্বাদে যদি বাকি জীবনটা যদি সুখে-শান্তিতে কাটাতে হয়, তাহলে এই নিয়মটা মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

৪. উপোস করতে ভুলবেন না যেন:

৪. উপোস করতে ভুলবেন না যেন:

শাস্ত্র মতে প্রতি শনিবার যদি উপোস করে শনি দেবের অরাধনা করা যায় এবং পাঠ করা যায় শনি মন্ত্র, তাহলে চাকরিক্ষেত্রে কোনও ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি মনের মতো চাকরি মিলতেও সময় লাগে না।

৫. রুদ্রাক্ষের ক্ষমতা:

৫. রুদ্রাক্ষের ক্ষমতা:

আমাদের শরীর, মস্তিষ্ক এবং ভাগ্যের উপর রুদ্রাক্ষের প্রভাবকে অস্বীকার করা সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে ১৪ মুখি রুদ্রাক্ষ পরলে আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে খারাপ সময়ও কেটে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু চাকরিক্ষেত্রে নয়, জীবনের সব ক্ষেত্রেই উন্নতি লাভের সম্ভাবনা যায় বেড়ে। প্রসঙ্গত, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ১৪ মুখি রুদ্রাক্ষ পরলে আরও কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- সামাজিক এবং চাকরিক্ষেত্রে সম্মান বৃদ্ধি পায়, অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে এবং কোনও ধরনের বিপদ ঘটার আশঙ্কা যায় কমে।

৬. নীলার ক্ষমতা:

৬. নীলার ক্ষমতা:

জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে মধ্যমায় সোনা দিয়ে তৈরি ৪-৬ ক্যারেটের নীলা পরলে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ভাগ্য ফিরে যেতেও সময় লাগে না। আর গুড লাক যখন আপনার সঙ্গে থাকে, তখন কোনও কিছুই যে আপনাকে আটকাতে পারবে না, তা তো বলাই বাহুল্য! তবে এই পাথরটি পরার আগে একজন দক্ষ জ্যোতিষির সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

৭.টারকোয়েজ পাথরটিও পরতে পারেন:

৭.টারকোয়েজ পাথরটিও পরতে পারেন:

অল্প সময়ে শনির প্রভাব কমাতে চান? তাহলে এই পাথরটির উপর ভরসা রাখতে পারেন। কারণ জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে ডান হাতের মধ্য়মায় রূপো দিয়ে টরকোয়েজ পাথরটি পরলে শনির খারাপ প্রভাব পরার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে যারা ইতিমধ্যেই শনির সাড়ে সাতির খপ্পরে পরেছেন, তাদের উপর থেকে শনির প্রভাব কেটে যেতেও সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু, শনির প্রভাব কমিয়ে চটজলদি যদি সরকারি চাকরি পেতে হয়, তাহলে একজন অ্যাস্ট্রোলজারের সঙ্গে আলোচনা করে পাথরটি পরতে পারেন কিন্তু!

Story first published: Wednesday, December 12, 2018, 15:14 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion