চলে গেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, শোকস্তব্ধ দেশবাসী

চলে গেলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি। আজ দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬। ৯ অগাষ্ট শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে এইমস-এ ভর্তি করা হয়েছিল। তবে, পরে তিনি স্থিতিশীল আছেন বলে জানানো হয়। ২২ অগস্ট, বৃহস্পতিবার তিনি ডায়ালাইসিসও করেছিলেন। হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই আজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত দু'বছর ধরে কিডনিজনিত অসুস্থতার সাথে লড়াই করছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় -সহ আরও অনেকে। শোকস্তব্ধ দেশবাসীও।

Arun Jaitley passed away

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেরিয়াট্রিক সার্জারি করান তিনি। এইবছর মে মাসেও এইমসে চিকিৎসাধীন ছিলেন অরুণ জেটলি। গতবছর ১৪ মে কিডনি প্রতিস্থাপন হয় তাঁর। সে সময় অসুস্থতার জেরে তাঁর পরিবর্তে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব নেন পীযূষ গোয়েল। কেন্দ্রীয় বাজেটও পেশ করতে পারেননি তিনি। তাঁর পরিবর্তে বাজেট পেশ করেন পীযূষ গোয়েল। শারীরিক অসুস্থতার জেরে বেশ কিছুদিন নিজ দায়িত্বে ফিরে আসতে পারেননি তিনি। তবে, গতবছর অগাষ্ট মাসে তিনি আবার ফিরে আসেন অর্থ মন্ত্রকে। অর্থ মন্ত্রকের পাশাপাশি কিছুদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও সামলান তিনি।

অসুস্থতার কারণে এই লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করতে পারেননি অরুণ জেটলি। ঠিক একই কারণে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজও এই লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। তিনি মারা গেছেন এই মাসেরই শুরুতে, ৬ অগাষ্ট। এক এক করে হারিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

১৯৫২ সালের ২৮ ডিসেম্বরে দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন অরুণ জেটলি। তাঁর পিতা মহারাজ কিষেণ জেটলি ছিলেন একজন আইনজীবি এবং মা রতন প্রভা জেটলি। দিল্লির সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে স্কুলে পড়াশুনা করেন তিনি। এরপর, ১৯৭৩ সালে দিল্লির শ্রী রাম কলেজ অফ কমার্স থেকে বাণিজ্য বিভাগে অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পড়াশুনা করেন তিনি।

X
Desktop Bottom Promotion