৫০০০ বছর আগে পৃথিবীতে আসা এলিয়ানদের সন্ধান মিললো মেক্সিকোতে!

Written By:
Subscribe to Boldsky

পৃথিবী ছাড়াও এই বিশাল ইউনিভার্সে নীল গ্রহের মতোই আরও যে বেশ কিছু গ্রহ রয়েছে এবং সেখানে যে প্রাণের সন্ধান মিলতে পারে, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা আগেই জেনে ফেলেছেন! কিন্তু আদৌ কি সেইসব গ্রহে প্রাণ রয়েছে? এই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত না হলেও বারে বারে একটা প্রশ্ন যদিও উঠে এসেছে। কী সেই প্রশ্ন!

পৃথিবীতে ভিনগ্রহীদের আগমন ঘটা নিয়ে নানান সময় নানান সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি হলেও তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মেলেনি কখনও। কিন্তু "ইটি" এবং "ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডে"-এর মতো সিনেমা জনপ্রিয়তা লাভ করার পর সাধারণ মানুষের মনে একটা বিষয়ে সন্দেহ নেই যে পৃথিবীর সন্ধান ভিনগ্রহীরা পেয়ে গেছে। হয়তো তারা দু-চক্কর লাগিয়েও ফেলেছে নীল গ্রহের আশপাশে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। হয়তো একদিন বাস্তবিকই কোনও স্পেস শিপ এসে ল্যান্ড করবে পৃথিবীর কোনও এক প্রান্তে। তখন হিউমেন রেসের যে কী হবে, তা যদিও জানা নেই!

এলিয়ানদের আদৌ কোনও অস্তিত্ব রয়েছে কিনা এই বিষয়ে বিজ্ঞানী মহল যখন উত্তাল, তখন একটি আশ্চর্য রকমের একটি তথ্য উঠে এল সামনে। সম্প্রতি একদন এলিয়ান হান্টার এমন কিছু নথি সামনে এসেছেন, যা প্রমাণ করছে যে আজ থেকে প্রায় ৫০০০ বছর আগে পৃথিবীর মাটিতে পা পরেছিল এলিয়ানদের। মানে! সত্যিই কি এমন কিছু ঘটেছিল?

মেক্সিকোর মাটিতে খনন চালানোর সময় এলিয়ান হান্টাররা পাথরের উপর কিছু ছবি খোদাই করা অবস্থায় পেয়েছিল। তাতে আজব কিছু মুখের ছবি আঁকা ছিল, যাদের চোখ ছিল বেজায় বড় বড়। মাথা ছিল বিশালাকায়, আর শরীরের অবয়ব ছিল একেবারেই ভিন্ন ধরনের। এক কথায় যেমনটা আমরা যে কোনও এলিয়ান মুভিতে দেখে থাকি আর কী। কিন্তু এই ছবিগুলি কী আদৌ কি এলিয়ানরা এঁকেছিলেন?

প্রশ্ন এবং উত্তরের খেলা:

প্রশ্ন এবং উত্তরের খেলা:

মেক্সিকোর একটি প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত একটি ছোট গুহায় এই পাথরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। যে পাথরটিকে বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছেন পাথরটি প্রায় ৫০০০ বছর আগেকার। ওই সময় পৃথিবীর বুকে এমন ধরনের আজব দেখতে কোনও প্রাণী ছিল না। আর যদি থেকেও থাকে, তাহলে তাদের ছবি আঁকলো কে?

সম্পর্ক তাহলে ছিলই:

সম্পর্ক তাহলে ছিলই:

এই ঘঠনার পর থেকে একটা বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে ভিনগ্রহীদের সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক অনেক পুরনো। কিন্তু তাদের আগমন বা প্রস্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত হতে পারেননি। তবু একদল বিজ্ঞানী এবং এলিয়ান হান্টাররা বিশ্বাস করেন এমন একদিন আসবে, যেদিন খোলা চোখেই প্রাণের সন্ধান সম্পর্কে জানতে পারবে সমগ্র মানব সমাজ!

প্রশ্নের উত্তর কি মিললো:

প্রশ্নের উত্তর কি মিললো:

এত প্রমাণ পাওয়ার পরেও কিন্তু সিংহভাগ মানুষ একথা মেনে নিতে নারাজ যে পৃথিবীর বাইরেও প্রাণ রয়েছে, যারা যে কোনও সময় আক্রমণ শানাতে পারে আমাদের উপর। কিন্তু কেন একথা মেনে নিতে কষ্ট হয় আমাদের যে এলিয়ানরা রয়েছে? এমনকি একথাও উতিউতি শোনা যাচ্ছে যে মঙ্গল গ্রহেও নাকি প্রাণের সন্ধান মিলেছে, যে প্রাণের আবয়ব মানব দেহের মতো নাও হতে পারে! কিন্তু এমন ধরণার জন্ম হল কীভাবে? আসলে মঙ্গলে জলের সন্ধান পাওয়া গেছে। আর একথা তো সবারই জানা আছে যে জল যেখানে, সেখানে প্রাণের সন্ধান পাওয়া মোটেও অস্বাভাবিক নয়। এখনেই শেষ নয়, শক্তিশালী ট্যালিস্কোপ নাকি মঙ্গল গ্রহের এমন কিছু ছবি উঠেছে, যা মোটেও স্বাভাবিক নয়।

স্পেস শিপ কি সত্যিই ঘুরপাক খাচ্ছে কোনও দূর গ্রহে?

স্পেস শিপ কি সত্যিই ঘুরপাক খাচ্ছে কোনও দূর গ্রহে?

গত বছর অক্টোবর মাসে একটি নতুন নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে কে আই সি ৮৪৬২৮৫২ বা ট্যাবি স্টার। বাকি নক্ষত্ররা যেভাবে মিটমিট করে, এই নক্ষত্রটির আলো বিচ্ছুরণ কিন্তু একেবারেই সেইভাবে হয় না। কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের সন্ধান করতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের মনে হয়েছে বিশালাকায় একটি স্পেস শিপ এই নক্ষত্রটিকে চক্কর মারছে, যে কারণে এই স্টারটির "ব্লিঙ্কিং প্যাটার্ন" বাকি নক্ষত্রের মতো নয়।

এলিয়ানরা কি আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করছে?

এলিয়ানরা কি আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করছে?

কোই মিল গেয়া বা ব্যাটেল শিপের মতো সিনেমায় দেখানো হয়েছে ভিনগ্রহীরা প্রতি মুহূর্তে সিঙ্গাল পাঠাচ্ছে আমাদের প্ল্যানেট আর্থে, যা কি সত্যিই? কে বলতে পারে এই সব সিনেমার চিত্রনাট্য হয়তে বাস্তব ঘটনা দ্বারাই অনুপ্রাণিত। কারণ মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে যে এমন আজব সব সিঙ্গাল এসে পৌঁছায়, সে কথা অনেক সময়ই মেনে নিয়েছে কিছু বিজ্ঞানী। শুধু তাই নয়, এই সব সিঙ্গাল যে এলিয়ানদের তরফ থেকেও আসতে পারে, সে কথাও তারা উড়িয়ে দেননি।

image courtesy

আমরাই কি এলিয়ান?

আমরাই কি এলিয়ান?

যখন সারা দুনিয়ে এলিয়ানদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তখন একদল বিজ্ঞানী বলছেন আসলে মানুষই এলিয়ান, যাদের পূর্ব পুরুষেরা বহু লক্ষ বছর আগে স্পেস শিপে করে এসে নীল গ্রহে বসবাস শুরু করে। কিন্তু এই ধরণাকেও অনেকে মেনে নিতে নারাজ। কারণ মানুষের জন্ম যে বাঁদর থেকে হয়েছে, সে কথার প্রমাণ রয়েছে, কিন্তু বিজ্ঞানীরা যেমনটা দাবী করছেন, তার কোনও বাস্তব প্রমাণ এখনও মেলেনি।

এলিয়ান রয়েছে কিনা এই নিয়ে বিতর্ক হয়তো চলবে। কিন্তু মেক্সিকোর দূর্গম এক গুহায় যে পাথর এবং ছবির সন্ধান মিলেছে, তাকে কীভাবে অস্বীকার করা যায় বলুন!

Read more about: বিশ্ব
English summary
In a new find, alien hunters have claimed to find evidence of extraterrestrial life that visited Earth in the past. The bizarre claim came after alien seekers unearthed spooky artefacts in Mexico. The artefacts contain spaceships and face of mysterious creatures with wide eyes and abnormally large head that forced conspiracy theorists to believe that we are not alone and aliens visited earth in the past.