Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
দুর্গা পুজো ২০১৮: এই ফুলগুলি দিয়ে মা দুর্গার আরাধনা করলে দেখবেন মনের সব ইচ্ছা পূরণ হবেই হবে!
জবা ফুল শুধু মা কালীর পছন্দের ফুল নয়, দেবী দুর্গা এবং গণপতি বাপ্পাও কিন্তু জবা ফুল বেজায় পছন্দ করেন। তাই নিমেষে যদি মায়ের মন জয় করতে চান, তাহলে এই বিশেষ ফুলটি নিবেদন করে দেবীর অরাধনা করতে ভুলবেন না।
মাহেন্দ্রক্ষণ আসতে আর মাত্র ১২ দিন। তার পরেই শুরু হয়ে যাবে বাঙালি সবথেকে বড় উৎসব দুর্গৎসবের। সেই চারদিন বাঙালি শুধু মন উজাড় করে আনন্দ করবে না, সেই সঙ্গে এক মনে আরাধনাও করবেন মাতৃশক্তির। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল কী কী নিয়ম মেনে দেবীর পুজো করলে সহজেই তাঁকে প্রসন্ন করা সম্ভব, সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তাই তো ষষ্ঠীর সন্ধি পুজো অথবা অষ্টমীর অঞ্জলিতে উপস্থিত থেকেও কোনও সুফল মেলে না। আর ঠিক এই কারণেই তো এই প্রবন্ধে এমন একটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করা হবে, যে সম্পর্কে হয়তো আপনি আগে কখনও শোনেন নি।
কী এমন বিষয় নিয়ে লেখা হতে চলেছে তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আরে বন্ধু তেমন কিছু নয়, হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে দেবী দুর্গা কিছু ফুল বেজায় পছন্দ করেন, তাই তো দুর্গা পুজোর চারদিন এই ফুলগুলি নিবেদন করে যদি দেবীর অরাধনা করা যায়, তাহলে নাকি নানাবিধ সুফল মিলতে সময় লাগে না। যেমন ধরুন...

১. পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ বজায় থাকে:
নানা কারণে কি মানসিক শান্তি দূরে পালিয়েছে? তাহলে বন্ধু পুজোর সময় এই প্রবন্ধে আলোচনা হতে চলা ফুলগুলি দিয়ে দেবীর অরাধনা করতে ভুলবেন না যেন! সেই সঙ্গে এক মনে পাঠ করতে হবে যে কোনও দুর্গা মন্ত্র, তাহলেই দেখবেন হারিয়ে যাওয়া সুখ-শান্তি ফিরে আসবেই আসবে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে যে কোনও সমস্যা এবং কলহ মিটে যেতেও সময় লাগবে না।

২. বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়:
৩০ পেরতে না পেরতেই কি অনেক অনেক টাকার মালির হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ করতে চান? তাহলে বাকি প্রবন্ধে চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয যে এই প্রবন্ধে যে যে ফুলগুলির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি দেবী দুর্গার বেজায় পছন্দের। তাই তো এই বিশেষ সময়ে এই ফুলগুলি দিয়ে মায়ের পুজো করলে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে উঠতে সময় লাগে না, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতিও ঘটে চোখে পরার মতো। শুধু তাই নয়, মায়ের আশীর্বাদে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলাও মিটে যায়।

৩. যে কোনও সমস্যা মেটে চোখের পলকে:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মা একবার প্রসন্ন হলে তাঁর ভক্তের জীবনে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা ছোট-বড় সব ধরনের সমস্যাই মিটে যায়া নিমেষে। ফলে জীবনের প্রতিটি দিন আনন্দে ভরে উঠতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, মায়ের আশীর্বাদে খারাপ শক্তিও দূরে পালায়। ফলে নেগেটিভ শক্তির প্রভাবে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার আশঙ্কাও কমে যায়।

৪. রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:
দুর্গা মন্ত্র পাঠ করতে করতে মায়ের পছন্দের ফুল নিবেদন করে দেবীর পুজো করলে গৃহস্থের প্রতিটি কোণায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় সবহ রোগই দূরে পালায়। ফলে আয়ু বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। তাই তো বলি বন্ধু, মায়ের আশীর্বাদে বাকি জীবনটা সুস্থভাবে কাটাতে চাইলে এবারে অষ্টমী পুজোর অঞ্জলী দেওয়ার সময় এই প্রবন্ধে আলোচিত ফুলগুলি নিবেদন করতে ভুলবেন না যেন!

৫. গ্রহ দোষ কেটে যায়:
নানাবিধ গ্রহের কুপ্রভাবেব কারণে কি জীবন দুর্বিষহ হয়ে উছেছে? তাহলে বন্ধু একবার এই প্রবন্ধটি পড়ে ফেলুন, তাহলেই দেখবেন সব কষ্ট নিমেষে দূরে পালাবে। কারণ মা দুর্গার পছন্দের ফুল দিয়ে তাঁর অরাধনা করলে স্বাভাবিকভাবেই দেবী বেজায় খুশি হন। ফলে মায়ের আশীর্বাদে যে কোনও ধরনের গ্রহ দোষ কেটে যেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি যে কোনও ধরনের ভয়ও দূর পালায় চোখের পলকে।
এখন তাহলে প্রশ্ন হল কী কী ফুল দিয়ে দেবী দুর্গার আরাধনা করলে এই সব সুফলগুলি মিলবে?

১. জবা ফুল:
একেবারেই ঠিক শুনেছেন পাঠক! জবা ফুল শুধু মা কালীর পছন্দের ফুল নয়, দেবী দুর্গা এবং গণপতি বাপ্পাও কিন্তু জবা ফুল বেজায় পছন্দ করেন। তাই নিমেষে যদি মায়ের মন জয় করতে চান, তাহলে এই বিশেষ ফুলটি নিবেদন করে দেবীর অরাধনা করতে ভুলবেন না যেন! প্রসঙ্গত, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মা দুর্গার অরেক অবতার, দেবী শৈলপুত্রীকে এই ফুলটি নিবেদন করে আরাধনা করলে নাকি আরও বেশি মাত্রায় সুফল মেলে।

২. চন্দ্রমল্লিকা:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে সপ্তমির দিন এই বিশেষ ফুলটি নিবেদন করে মা ব্রহ্মচারির, যা দেবী দুর্গার আরেক রূপ, পুজো করলে নাকি মনের সব ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে উপরে আলোচিত সুফলগুলিও মেলে।

৩. পদ্মফুল:
একথা তো সবারই জানা আছে যে পদ্ম ফুল ছাড়া দেবীর পুজো অসমাপ্তই থেকে যায়। কিন্তু প্রশ্নটা হল কেন? আসলে শাস্ত্রে এমনটা লেখা রয়েছে যে এই ফুলটি দিয়ে দেবীর অরাধনা করলে, বিশেষত মা দুর্গার চন্দ্রঘন্টা রূপের, মা বেজায় খুশি হন। ফলে দেবীর আশীর্বাদে খারাপ কোনও ঘটনার খপ্পরে পরার আশঙ্কা যায় কমে, সেই সঙ্গে কোনও ধরনের বিপদ ঘটার সম্ভাবনাও আর থাকে না।

৪. জুঁই ফুল:
দুর্গা পুজোর আবাহন বার্তা নিয়ে আসে জুঁই ফুলের গন্ধ। শুধু তাই নয়, মায়ের পুজোর সঙ্গেও এই ফুলের যোগ বেজায় অঙ্গাঅঙ্গি। তবে গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যায় না। কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে জুঁই ফুল নিবেদন করে দেবীর পুজো শুরু করলে মা খুব খুশি হন। আর এমনটা যখন হয়, তখন ভক্তের জীবন বদলে যেতে যে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য!

৫. হলুদ গোলাপ:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দেবী দুর্গার পাশাপাশি মায়ের অরেক অবতার দেবী স্কন্দবতীর পুজোও যদি হলুদ গোলাপ সহকারে করা যায়, তাহলে নাকি যে কোনও সম্পর্কের উন্নতি ঘঠতে সময় লাগে না। বিশেষত ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক খুব সুন্দর হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে পরিবারের অন্দরে কোনও ধরনের কলহ বা অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায় কমে।

৬. গাঁদা ফুল:
দেবী দুর্গার এক রূপ হল মা কাত্যায়নী। এই রূপের পুজো করার সময় যদি গাঁদা ফুল নিবেদন করা যায়, তাহলে নানাবিধ সুফল মিলতে সময় লাগে না। তবে ইচ্ছা হলে মা দুর্গার অঞ্জলী দেওয়ার সময়ও গাঁদা ফুল চড়াতে পারেন। কারণ এমনটা করলেও কিন্তু জীবন অনন্দে ভরে ওঠে।



Click it and Unblock the Notifications