এই প্রাকৃতিক উপাদান দুটি এক সপ্তাহেই শুষ্ক চোখের সমস্যা সারিয়ে তুলতে পারে!

চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন? এখানে এমন একটা প্রাকৃতিক প্রতিকার রইল, যা আপনাকে উপশম পেতে সাহায্য করবে! আসুন, একবার দেখে নেওয়া যাক এটি কিভাবে তৈরি হয়।

By Anindita Sinha

ইদানীং আপনি কি অনুভব করছেন যে আপনার চোখ শুকিয়ে যাচ্ছে আর কটকট করছে? যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে এখনই সময় আপনার শুকনো চোখের জন্য একটি ব্যতিক্রমী প্রাকৃতিক প্রতিকার ট্রাই করার।

সম্প্রতি একটি নিরীক্ষা রিপোর্ট দিয়েছে যে, প্রতি ১০ জনে ৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক শুষ্ক চোখের সমস্যায় (dry eyes syndrome) ভুগে থাকেন!

মানুষের জীবনশৈলির পরিবর্তনের ফলে, ইদানীং শুকনো চোখের সমস্যা বেড়েই চলেছে।

আজকাল তো বেশিরভাগ মানুষের পক্ষে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট ব্যাবহার না করে তাদের কাজ বা দৈনন্দিন ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব।

ভিজ্যুয়াল ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার চোখে অনেক বেশি পরিমাণে চাপ ফেলতে পারে। যা চোখ সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আজকাল বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্করাই ৯টা থেকে ৬টার কাজ করে, যাতে তাদের একসাথে অনেক ঘণ্টা কম্পিউটারে বসে কাজ করতে হয়। আরে এই অভ্যাস চোখকে শুকিয়ে ফেলে, লাল করে, চোখে কটকটে ভাব এনে, অপটিক স্নায়ুতে প্রভাব ফেলতে পারে।

চোখকে না ঢেকে ধুলো আর দূষণের মধ্যে যাতায়াত করাও, শুষ্ক চোখের কারণ হতে পারে।

সুতরাং, যদি আপনি ১ সপ্তাহের মধ্যে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার উপসর্গটিকে কমাতে চান, তবে এই প্রাকৃতিক প্রতিকারগুলি দেখে নিন এবং ব্যবহার করুন।

প্রতিকারটি তৈরি করার পদ্ধতি:

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

সয়াবিন অয়েল- ১ টেবিল চামচ

আখরোটের গুঁড়ো- ১ টেবিল চামচ

যদি আপনি চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে চান, তবে নিয়মিত ব্যবহারে এই ঘরোয়া প্রতিকারটি খুবই কার্যকর বলে প্রমাণিত হতে পারে, আর তাও মাত্র ১ সপ্তাহেই।

যদিও, মনে রাখবেন আপনি যদি অনেকক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করা ও ধুলোয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে যান তবেই এই প্রতিকারটি এর সেরা কাজটি করতে পারবে।

শুকনো চোখের জন্য এই ঘরোয়া প্রতিকারটি ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই তে সমৃদ্ধ, আর এই দুটিই অপটিক স্নায়ুর জন্য অত্যন্ত উপকারী। সয়াবিনের তেল ও আখরোটের গুঁড়ো দুটিরই অশ্রু নালীকে উদ্দীপিত করার ক্ষমতা রয়েছে, যার ফলে চোখে পর্যাপ্ত পরিমাণে পিচ্ছিলিকরণ হয়। আর এইভাবেই চোখের শুকনো ভাব কমে আসে।

প্রতিকারটি তৈরি ও ব্যবহার করার পদ্ধতি:

উল্লেখিত পরিমাণে উপকরণগুলি একটি বাটিতে নিন।

উপকরণ দুটি ভাল করে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন।

আপনার প্রাকৃতিক প্রতিকারটি এখন সেবনের জন্য তৈরি।

প্রতি রাতে খাওয়ার পর এটি সেবন করুন। বাড়িতেই এই প্রাকৃতিক প্রতিকারটি ট্রাই করুণ এবং যদি এটি আপনার জন্য কাজ করে থাকে তবে আমাদের জানান!

X
Desktop Bottom Promotion