Benefits of rice water: চাল ধুয়ে জল ফেলে দেবেন না, 'গ্লাস স্কিন'-এর আসল রহস্য লুকিয়ে এই জলেই!

By Bhagysree Sarkar

Benefits of rice water: শীতের মরশুমে আমাদের ত্বকের বিশেষ যত্ন (Skin care in winter) নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তবে ত্বকের যত্নে বর্তমানে বহু নামীদামি প্রোডাক্ট পাওয়া যায়। যা আমাদের মধ্যে অনেকই কিনতে পারে না, এগুলির দামের কারণ। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবে, ত্বকের যত্নে এমন কিছু ঘরোয়া উপাদান রয়েছে, যা সহজলোভ্যের সঙ্গে খরচও নেই বললেই চলে। এই ঘরোয়া উপাদানগুলি (Skin care with homemade ingredients) মূলত আপনার রান্নাঘরেই পেয়ে যাবেন। যার সঠিক ব্যবহারে আপনিও পাবেন উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক (Bright and healthy skin)।

আজকের প্রতিবেদনে আমরা বলব চালের জলের উপকারিতা (Benefits of rice water) নিয়ে। ২০২৪ সালে সবথেকে ভাইরাল হওয়া এই রাইস ওয়াটার (Rice water) সম্পর্কে আমরা অনেক সময়ই শুনেছি। রান্নাঘরেই থাকা এই রাইস ওয়াটার আপনার মুখে গ্লাস স্কিনের (Glass skin using rice water) মতো আভা দিতে পারে। রাইস ওয়াটার ফেস ওয়াশ (Rice Water Face Wash) দিয়ে মুখ ধোয়ার ফলে ত্বকের অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। যা দামী প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও পাবেন না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রাইস ওয়াটার দিয়ে মুখ ধোয়ার উপকারিতাগুলির সম্পর্কে-

Benefits of rice water

ছবি সৌজন্য- pexels

চাল ধোয়ার সময় যে জল বের হয়, তা রাইস ওয়াটার নামে পরিচিত। এতে ভিটামিন বি, ই, মিনারেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মতো অনেক ধরনের পুষ্টি রয়েছে। এই সমস্ত উপাদান আপনার ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাই দিনে মাত্র দুবার ব্যবহার করলেই ফল পাবেন হাতেনাতে।

. ত্বক নরম করে-
রাইস ওয়াটার আপনার ত্বককে নরম ও কোমল করে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে এবং আপনার ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে। ফলে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়া যায়।

. ত্বককে হাইড্রেট করে-
রাইস ওয়াটার আপনার ত্বককে হাইড্রেট করে এবং শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। এটি আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখতে সাহায্য করে। ফলে শীতের রুক্ষ-শুষ্ক ত্বকের সমস্যা অনেকাংশেই কমে যায়।

. বার্ধক্যের লক্ষণ কমায়-
রাইস ওয়াটারে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। পাশাপাশি বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখার মতো বার্ধক্যের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে। ফলে আপনার ত্বকে বয়সের ছাপ দেখা যায় না।

. ত্বককে উজ্জ্বল করে-
রাইস ওয়াটারে উপস্থিত স্টার্চ, আপনার ত্বককে পুষ্ট করে এবং উজ্জ্বল করে। এটি আপনার ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

. ব্রণ কমায়-
রাইস ওয়াটারে রয়েছে প্রদাহরোধী গুণ। যা ব্রণ ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করতেও সাহায্য করে।

. ত্বকের রং উন্নত করে-
রাইস ওয়াটার আপনার ত্বকের বর্ণ উন্নত করে এবং দাগ কমায়। এটি আপনার ত্বকে একটি সমান টোন দিতে সাহায্য করে।

. ছিদ্র সঙ্কুচিত করে-
রাইস ওয়াটারে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যা আপনার মুখের ছিদ্র সঙ্কুচিত করতে সাহায্য করে। এটি আপনার ত্বককে টানটান করে তোলে।

রাইস ওয়াটার কিভাবে ব্যবহার করবেন?

. টোনার হিসেবেও আপনি রাইস ওয়াটার ব্যবহার করুন। এজন্য একটি স্প্রে বোতলে রাইস ওয়াটার ভরে মুখে স্প্রে করুন।
. ক্লিনজার হিসেবে রাইস ওয়াটার ব্যবহার করতে পারেন। একটি তুলোর প্যাডে রাইস ওয়াটার নিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
. আইস কিউব আকারেও আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন। একটি বরফের ট্রেতে রাইস ওয়াটার জমা করুন। এটিকে ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর আপনার মুখে ঘষুন।
. এছাড়াও ফেস মাস্ক হিসেবে রাইস ওয়াটার ব্যবহার করতে পারেন।

মনে রাখবেন, দিনে দুবার রাইস ওয়াটার দিয়ে মুখ ধুতে পারেন। এক্ষেত্রে যদি ত্বক সংবেদনশীল হয়, তবে আপনার এটি সপ্তাহে মাত্র দু-তিনবার ব্যবহার করা উচিত। এছাড়াও যদি আপনার অ্যালার্জি থাকে, তাহলে ব্যবহার করবেন না।

Story first published: Saturday, December 21, 2024, 19:10 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion