অসহ্য গরমে সর্দি-কাশিতে ভুগছেন? এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি ট্রাই করুন

By Bhagysree Sarkar

আমরা সাধারণত ফ্লুকে শরৎ বা শীতের সময় দেখে থাকি। কিন্তু এই সমস্যা এখন গরমেও। প্রচণ্ড গরমে শরীরে ডিহাইড্রেশন, ঘাম বসে সর্দি-কাশি, দুর্বলতা, হজমের সমস্যা এবং হিট স্ট্রোকের মতো বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের ভারাসাম্যেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনেকেই এসব সমস্যা দূর করতে নানা ধরনের ওষুধ খাচ্ছেন।

তবুও সমস্যা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু প্রতিকার ব্যবহার করতে পারেন। মূলত, গ্রীষ্মে যখন আপনি একজন সংক্রমিত ব্যক্তি বা বস্তুর সংস্পর্শে আসেন, তখন আপনিও এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। যদিও শীতকালীন ঠান্ডা রাইনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়, তবে এন্টারোভাইরাস (সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে প্রেরণ) আপনার গ্রীষ্মের ঠান্ডার জন্য দায়ী।

-

ছবি সৌজন্য- pexels

গ্রীষ্মকালীন ফ্লুর লক্ষণগুলি বছরের অন্যান্য সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই। যেমন- জ্বর, হাঁচি, ঠান্ডা ও সর্দি, গলায় ঘা, গলা ব্যথা, কাশির মত উপসর্গ। ফ্লু ভাইরাস স্ব-সীমাবদ্ধ। সুতরাং, তারা এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেরাই কমে যায়। তাই এই উপসর্গ থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার জন্য ওষুধ রয়েছে। কিন্তু কিছু নো-ড্রাগ সমাধানও আছে। গ্রীষ্মকালীন এই রোগের লক্ষণগুলি থেকে আপনাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বেশকিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে। জানতে পড়ুন-

হলুদের ব্যবহার:
হলুদ একটি জনপ্রিয় প্রতিকার। যা গ্রীষ্মকালীন ফ্লু নিরাময়ের ক্ষেত্রে আপনি বাড়িতে সহজেই ট্রাই করতে পারেন। এটি একটি চমৎকার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এজেন্ট হিসাবে কাজ করে। যা ভাইরাল সংক্রমণ থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি গলা ব্যথা এবং নাকের প্রদাহ নিরাময়েও সাহায্য করে।
কিভাবে বানাবেন-
এক গ্লাস উষ্ণ দুধে ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং সামান্য কালো মরিচ যোগ করুন। এটি প্রতিদিন দুবার পান করুন। এছাড়াও, আপনি এক গ্লাস গরম জলে পরিমাণমত হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণমত লবণ যোগ করতে পারেন। এটি ভালভাবে মেশান। এই মিশ্রণটি প্রতিদিন দুবার করে পান করলে, গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

মধুর ব্যবহার:
এটি গ্রীষ্মকালীন ফ্লুর আরেকটি কার্যকরী ঘরোয়া চিকিৎসা। মধুতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য সহ একাধিক উপাদান রয়েছে, যা গ্রীষ্মের ফ্লু সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে মেরে ফেলে। ফলে আপনার গলা ব্যাথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

কিভাবে বানাবেন-
২ চা চামচ কাঁচা মধুর সঙ্গে ১ চা চামচ লেবুর রস বা আদার রস মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি দিনে ২ থেকে ৩ বার পান করুন। এছাড়াও আপনি কেবল এক চামচ কাঁচা মধু গিলে ফেলতে পারেন। কাশি থেকে মুক্তি পেতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ চা চামচ মধু খান। রেহাই পাবেন।

আপেল সিডার ভিনেগারের ব্যবহার:
আপেল সাইডার ভিনেগার গ্রীষ্মের ঠান্ডার জন্য দায়ী ভাইরাসকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এটি নাক বন্ধ থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়। এছাড়াও, এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভাল।
কিভাবে বানাবেন-
১ কাপ গরম জলে ১ চা চামচ লবণ এবং ১ টেবিল চামচ কাঁচা, অপরিশোধিত আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে কয়েকবার কুলকুচি করুন। এছাড়াও, আপনি এক গ্লাস জলে ১ চা চামচ কাঁচা, আনফিল্টার করা আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিতে পারেন। সামান্য মধু যোগ করুন এবং দিনে দুবার পান করুন। এতেও স্বস্তি পাবেন আপনি।

আদা চা:
আদায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য। যা আপনার শ্বাসনালীতে অত্যধিক শ্লেষ্মা কমাতে সাহায্য করে। আদা শরীরকে উষ্ণ রাখে, যা নিরাময় প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। বেশ কয়েকটি গবেষণা অনুসারে, আদা অ্যান্টিভাইরাল

Story first published: Tuesday, April 23, 2024, 15:01 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion