সময়ের আগে পিরিয়ড বন্ধ করতে চান? ভরসা রাখুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলির উপর

আদা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজে পরিপূর্ণ। আর এই উপাদানটি সময়ের আগে পিরিয়ড বন্ধ করতে দারুনভাবে সাহায্য করে।

প্রকৃতির নিয়ম মনে মাসের এই একটা সময়ে মহিলাদের খুব কষ্ট পেতে হয়। কোনও কোনও সময় পরিস্থিত এতটাই খারাপ হয়ে যে কষ্ট একেবারে সহ্যের বাইরে চলে যায়। তখন কিছুটা বাধ্য হয়েই পিরিয়ড বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। অনেক সময় অন্য নানা কারণেও এমন পরিস্থিতর সম্মুখিন হতে হয়। সেক্ষেত্রে অনেকই বুঝতে পারেন না কীভাবে পিরিয়ড বন্ধ করবেন। কেউ কেউ বাজার চলচি নানা ওষুধ খেয়ে সমস্যার সামধান করতে চান। তাতে ফল হয় উল্টো। কারণ এমন ধরনের ওষুধ বারে বারে খেলে শরীরের ক্ষতি হওযার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কিছু ক্ষেত্রে তো ইনফার্টিলির সম্ভাবনাও থাকে। তাই তো এই প্রবন্ধে এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা শরীরের কোনও ক্ষতি না করেই পিরিয়ড বন্ধ করতে দারুন কাজে আসে। কী সেই সব পদ্ধতি? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

১. আদা:

১. আদা:

অল্প করে আদা নিয়ে সেটিকে থেঁতো করে নিন। তাপর সেই থেঁতো করা আদাটা এক গ্লাস গরম জলে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ওই জলটা ছেঁকে নিন। তারপর তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে সেই জলটা খেয়ে ফেলুন। আদা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজে পরিপূর্ণ। আর এই উপাদানটি সময়ের আগে পিরিয়ড বন্ধ করতে দারুনভাবে সাহায্য করে।

২. বিনস:

২. বিনস:

পিরিয়ড বন্ধ করতে চাইলে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করুন গ্রিন বিনস-কে। কারণ এতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পিরিয়ড বন্ধ তো করেই, সেই সঙ্গে যন্ত্রণাও কমায়।

৩. নারকেল তেল:

৩. নারকেল তেল:

একাদিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে পিরিয়ড বন্ধ করতে নারকেল তেল দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে এক চামচ নারকেল তেল খেলেই কাজ হাসিল হয়ে যায়। আর যদি সরাসরি এই তেলটি খেতে ইচ্ছা না করে, তাহলে চায়ে মিশিয়েও খেতে পারেন। আসলে নারকেল তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ পিরিয়ড বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. লেবু:

৪. লেবু:

এক গ্লাস জলে পরিমাণ মতো লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। তাহলেই চোখের নিমেষে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, লেবুতে উপস্থিত অ্যাসিডিক কনটেন্ট এক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে।

৫. গাজর:

৫. গাজর:

একেবারে ঠিক পড়েছেন। পিরিয়ড বন্ধ করতে এই সবজিও কম কাজে আসে না। তাই তো এবার থেকে পিরিয়ড বন্ধ করতে চাইলেই কাঁচা অবস্থায় অথবা জুস করে গাজর খাওয়া শুরু করবেন। ফল পাবেন একেবারে হাতে-নাতে!

৬. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:

৬. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:

দ্রুত পিরিয়ড বন্ধ করতে চান? তাহলে এক গ্লাস জলে ১ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে সেই জল দিনে ২-৩ বার পান করুন। তাহলেই দেখবেন কষ্ট কমতে শুরু করবে।

৭. বেশি করে জাল খান:

৭. বেশি করে জাল খান:

পিরিয়ড বন্ধ করার প্রয়োজন বোধ করলেই প্রচুর পরিমাণে জল খেতে শুরু করবেন। এমনটা করলে রক্ত প্রবাহ কমতে থাকবে। সেই সঙ্গে কমবে যন্ত্রণাও।

Story first published: Tuesday, April 11, 2017, 15:47 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion