ক্ষত ও চোট সারাতে ঘরোয়া চিকিৎসা

ক্ষত ও চোট সারাতে ঘরোয়া চিকিৎসা কিন্তু দারুন কার্যকরি। তাই একবার চোখ বোলাতেই পারেন এই প্রবন্ধে।

বাঁচতে গেলে, চলতে গেলে চোট আঘাত তো লাগবেই। আর বাচ্চাদের কথা তো ছেড়েই দিলাম। তাদের তো এই পা কাটে, তো এই হাত ছড়ে। আর সেইসব ছোট-বড় ক্ষতে মলম আর ব্য়ান্ডেজ লাগাতে লাগাতে হল্লাক মেরে যেতে হয়। তবে এই ধরনের ছোট-খাট আঘাতে ঘরোয় চিকিৎসা কিন্তু দারুন কাজে আসে। তাই হাজারো কেমিকেলে ভরা অয়েনমেন্ট না লাগিয়ে একটু পরখ করেই দেখুন না ঘরোয় পদ্ধিতগুলি। আপনার চেষ্টা যে বিফলে যাবে না, সে কথা হলফ করে বলতে পারি।

আজ এই প্রবন্ধে এমন কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যেগুলি ক্ষতের চিকিৎসায় দারুন কাজে আসে।

ক্ষত ও চোট সারাতে ঘরোয়া চিকিৎসা

১. মধু:
এক্ষেত্রে মধু কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড। এই উপাদানগুলি শুধু ক্ষত সারাতে নয়, যে কোনও কাটার দাগ মিলিয়ে দিতেও দারুন কাজে আসে। তবে ভালো কোয়ালিটির মধু কিনতে হবে, না হলে কিন্তু কোনও কাজই হবে না।

২. ল্যাভেণ্ডার তেল:
ক্ষত স্থানে এই তেলটি লাগালে যন্ত্রণা কেমন সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে দেখবেন! এক্ষেত্রে একটা জিনিস মনে রাখবেন। সরাসরি এই তেল ক্ষত স্থানে লাগাবেন না, তাহলে জ্বালা করতে পারে। তাই পরিমাণ মতো অলিভ অয়েলের সঙ্গে ল্যাভেণ্ডার তেল মিশিয়ে যদি কাটা জায়গায় লাগাতে পারেন তাহলে ফল পাবেন হাতেনাতে।

৩. ক্যামোমিল তেল:
ক্ষত সারানোর পাশাপাশি কাটা দাগ মিলিয়ে দিতে এই তেল দারুন কার্যকরি। তাই তো মুখের আলসার থেকে শুরু করে কাটা, পুড়ে যাওয়া প্রভৃতি নানা অসুবিধায় এটিকে কাজে লাগানো হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়, একজিমা এবং পোকা-মাকড় কামড়ানোর যন্ত্রণা কমাতেও ক্য়ামোমিল তেল দারুন কাজে আসে।

৪. টি ট্রি অয়েল:
এই তেলে অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটি রয়েছে, যা ক্ষত সারাতে সক্ষম। তাই এবার থেকে কেটে-ছিড়ে গেলে নিশ্চিন্তে এই তেলটি লাগাতে পারেন। ভালো ফল পাবেন।

Story first published: Saturday, February 4, 2017, 17:08 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion