কাঠির মত চেহারা, ওজন বাড়াতে বহু চেষ্টা ব্যর্থ? মুশকিল আসান করবে সহজ এই টিপসগুলি

By Bhagysree Sarkar

প্রতিটি মানুষের বয়স, হাইট অনুযায়ী একটি আর্দশ ওজন থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভালো নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকাও উটিত নয়। যারা আন্ডার ওয়েট, তাদের দৈনন্দিন জীবনে একাধিক পুষ্টিকর খাবার খাওয়া আবশ্যিক। তার সঙ্গে করতে হবে নিয়মিত শরীরচর্চা ও সঠিক খাদ্যাভাস।

স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন থাকা চিন্তার বিষয়। এই সমস্যা নিয়ে অনেকেই স্ট্রাগল করেন। অনেকেই মনে করেন, বেশি পরিমাণে খাবার খেলে হয়তো ওজন স্বাভাবিক হবে। কিন্তু ব্যাপারটা তা একেবারেই নয়! না বুঝে অতিরিক্ত খাওয়া বা সাপ্লিমেন্ট খেয়ে ওজন বাড়ানোর প্রবণতা থাকলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কম ওজন নিয়ে যারা চিন্তায় আছেন, আজকের প্রতিবেদন তাদের জন্য। কীভাবে সহজ ও কার্যকরী টিপস মেনে আপনি আপনার ওজন স্বাভাবিক রাখতে পারবেন।

Gym
  • প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা

নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন রাখা দরকার। বিশেষ করে উদ্ভিজ প্রোটিন। যেগুলি ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ পেশি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। হেলদি ওয়েট গেইনের জন্য হাই প্রোটিনযুক্ত খাবার যেমন মাংস, মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত পণ্য, বাদাম ইত্যাদি খান।

  • অতিরিক্ত ক্যালরি ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খান

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে যে পরিমাণ ক্যালরি প্রতিদিন ক্ষয় হয়, তার চেয়ে ৫০০-৭০০ ক্যালরি খাবার বেশি খেতে হবে। ভাত, মাছ-মাংস, ডাল, বীজ, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, দুগ্ধজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে। সঙ্গে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার রাখুন। যেমন- কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম, খেজুর, কিসমিস, আলুবোখারা, পনির, ক্রিম, মুরগির মাংস, আলু, মিষ্টি আলু, চকলেট, কলা, আ্যভোকাডো, মাখন ইত্যাদি।

  • শর্করাজাতীয় খাবার খান

আমরা অনেকেই শর্করা একেবারে কম গ্রহণ করে থাকি। যা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কাম্য নয়। যাদের ওজন কম, তাদের অবশ্যই মোট ক্যালরির শতকরা ৫০-৬০ ভাগ শর্করা গ্রহণ করতে হবে। যেমন- আলু, আটা, চাল, পাস্তা অন্যতম।

  • ব্যায়াম করুন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পুষ্টিকর খাবার খেলেই হবে না। নিয়মিত ব্যায়াম করাও বাধ্যতামূলক। কারণ, ব্যায়াম খিদে বাড়াতে সক্ষম। আবার ভালোভাবে হজম করতেও সক্ষম।

এছাড়াও কিছু জিনিস মনে রাখা দরকার। যেমন- বেশিরাত পর্যন্ত জেগে থাকা চলবে না। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ভালো ঘুম হতে হবে। দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। জল খেতে হবে পরিমাণমত। কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস জল খেতেই হবে। এক্ষেত্রে খাবার আগে জল খাবেন না। খিদে কমে যেতে পারে।

Story first published: Friday, June 7, 2024, 15:50 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion