মদের আসক্তি কমাতে সাহায্য নিতে পারেন এই ঘরোয়া ওষুধটির

সহজ কথায় মৃত্যুর কারণ হিসেবে সারা দুনিয়াতেই ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, কোলেস্টরল, রক্তচাপ প্রভৃতি রোগ অগ্রগণ্য ভূমিকা নিচ্ছে। তাই সাবধান!

আপনি কি মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান করেন? একদিনও মদ না খেয়ে থাকতে পারেন না? তাহলে এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ এই লেখায় এমন একটি ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হল যা মদের নেশা ছাড়াতে দারুন কাজে আসে।

আজকের যুগে অ্যালকোহল না খেলে নাকি পিছিয়ে পরতে হয়। যদিও এমন আজগুবি ধরণাকে মানেন না এমন লোকের সংখ্যাটাও নেহাতই কম নয়। তবে কয়েনের অপর দিকটা কিন্তু বেশ ভয়ঙ্কর। কারণ পরিসংখ্যান বলছে গত কয়েক দশকে আমাদের দেশের পাশপাশি সারা বিশ্বে মদ্যপানে আসক্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে লাইফ স্টাইল ডিজিজের প্রকোপও। আর একথা তো নিশ্চয় বলে দিতে হবে না যে গত এক দশকে সারা বিশ্বে যত জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কোনও না কোনও লাইফ স্টাইল ডিজজে আক্রান্ত ছিলেন। অর্থাৎ সহজ কথায় মৃত্যুর কারণ হিসেবে সারা দুনিয়াতেই ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, কোলেস্টরল, রক্তচাপ প্রভৃতি রোগ অগ্রগণ্য ভূমিকা নিচ্ছে। তাই সাবধান! নিজেকে ওই লিস্টের একেবারে উপরের দিকে দেখতে নিশ্চয় চান না?

আপনি কি মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান করেন

অনেকই মনে করেন মানসিক চাপ কমাতে অ্যালকোহলের কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু এই ধরণার পিছনে কোনও যুক্তি নেই বললেই চলে। তাই এমন ভযঙ্কর ধরণাকে সমর্থন না করে আজ থেকেই নিজের খেয়াল রাখা শুরু করুন। না হলে কিন্তু বিপদ!

এক্ষেত্রে এই প্রবন্ধটি আপনাদের সাহায্য করতে পারে। তাই তো যারা মদ্যপান ছাড়তে চান, তারা আর সময় নষ্ট না করে এক্ষুনি পড়ে ফেলুন এই প্রবন্ধটি।

উপকরণ:
১. খাবার সোডা- ১ চামচ
২. রেড়ীর তেল- ১ চামচ

প্রতিদিন এই ওষুধটি খেলে এই ধরনের কু-অভ্যাসের প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ড্রিঙ্ক করলে যে যে লক্ষণগুলি দেখা যায়, সেগুলিও কমে যায়। তবে শুধু মাত্র এই ওষুধটি খেলে কিন্তু কোনও ফল মিলবে না। সেই সঙ্গে মদ্যপান থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, খাবার সোডায় এমন কিছু অ্যাসিডিক প্রপাটিজ রয়েছে, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র স্টমাকে জ্বালা শুরু হয়ে যায়। ফলে সেই জ্বালার ভয়ে ড্রিঙ্ক করার ইচ্ছা চলে যেতে শুরু করে। তবে এমন জ্বালা হওয়া মানে শরীরের কোনও ক্ষতি হচ্ছে, এমনটা ভেবে নেবেন না যেন!

অপরদিকে, রেড়ীর তেল আমাদের শরীরে এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয় যা অ্যালকোহলের খারাপ প্রভাবগুলিকে কমিয়ে ফেলে। সেই সঙ্গে মদ্যপান করার ইচ্ছাও হ্রাস পায়।

ওষুধটি বানানোর পদ্ধতি:
১. একটা বাটিতে সবকটি উপকরণ মেশান।
২. উপাদানগুলি ভাল করে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন।
৩. টানা ২ মাস ব্রেকফাস্টের পর এই ওষুধটি খেতে হবে।

Story first published: Wednesday, April 12, 2017, 11:19 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion