ব্যথা লাগার পর খুব ফুলে গেছে? চিন্তা নেই এই ঘরোয়া চিকিৎসায় মিলবে আরাম!

Subscribe to Boldsky

ব্যথা লাগার পর খুব ফুলে গেছে? চিন্তা নেই এই ঘরোয়া চিকিৎসায় মিলবে আরাম!

রোজের দৌড়া দৌড়ির জীবনে চোট আঘাত তো লাগবেই। তবে ক্ষত সারানোর পাশপাশি ফোলাভাব কমাতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগাতে পারেন। বেশ উপকার পাবেন। এতদিন পর্যন্ত নিশ্চয় ব্থা-ফোলা কমাতে হয় পেনকিলার খেয়েছেন, নয়তো চিকিৎসকের দোরগোড়ায় অপেক্ষা করেছেন। এবার আর এমনটা করতে হবে না যদি একবার এই প্রবন্ধটি পড়ে ফেলেন। তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্যথা কমানোর সেই সব কার্যকরি ঘরোয়া চিকিৎসাগুলি সম্পর্কে।

১.ঠান্ডা জলে শেক দিন:

১.ঠান্ডা জলে শেক দিন:

ব্যথা লাগার পরে কয়েকদিন বারে বারে ক্ষত স্থানে ঠান্ডা জলে শেক দিন। কীভাবে করবেন এই কাজটা? একটা কাপড় য়ে তাতে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে ব্যথা জায়গায় ১০-১৫ মিনিট লাগান। এমনটা কয়েকবার করলেই চোটের প্রদাহ কমতে শুরু করে দেবে। ফলে মিলবে আরাম।

২. ক্ষতস্থান বেঁধে রাখুন:

২. ক্ষতস্থান বেঁধে রাখুন:

যেখানে চোট লেগেছে সে জায়গাটা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। তবে খুব টাইট করে ব্যান্ডেজটা বাঁধবেন না যেন! তাহলে কীভাবে বাঁধতে হবে? মাঝামাঝি টাইট করে বাঁধবেন। তাহলে বেশি দেখবেন উপকার পাবেন।

৩.রক্তচল চল বাড়াতে হবে:

৩.রক্তচল চল বাড়াতে হবে:

ক্ষত স্থানে রক্ত চলাচল যত বাড়বে, তত ব্যথা তাড়াতাড়ি কমবে। তাই হাত বা পায়ে চোট লাগলে সেই অংশটা একটু উপরে তুলে রাখবেন। এমনটা করলে ক্ষতস্থানে রক্ত সরবরাহ বেড়ে গিয়ে চোট দ্রুত সেরে যাবে।

৪. ক্ষত স্থানে কোনও জুয়েলারি পরবেন না:

৪. ক্ষত স্থানে কোনও জুয়েলারি পরবেন না:

যেখানে চোট লেগেছে সে জায়গায় বালা, রিং বা ঐ জাতীয় কোনও জুয়েলারি পরলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে কষ্ট বাড়ে। ক্ষত সারতেও ময় লাগে। তাই তো এমনটা করতে মানা করা হয়।

৫.গরম জলে নুন ফেলে শেক দিন:

৫.গরম জলে নুন ফেলে শেক দিন:

যন্ত্রণা কমাতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে একটা বালতিতে পরিমাণ মতো গরম জল নিয়ে তাতে অল্প করে নুন মেশান। তারপর যে জায়গায় ব্যথা লেগেছে সেই জায়গাটা সেই জলে কম করে ২০ মিনিট ঢুবিয়ে রাখুন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে যন্ত্রণা এবং ফোলা ভাব কমে যাবে।

৬.ক্ষত স্থান সচল রাখবেন:

৬.ক্ষত স্থান সচল রাখবেন:

অনেকেই ব্যথা লাগার পর সেই জায়গা একেবারে নারাতে চান না। ভাবেন তাতে যন্ত্রণা বাড়বে। এই ধরণা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ কি জানেন, আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গের একটা আজব ক্ষমতা আছে, যাকে "মাসেল মেমোরি" বলা হয়। অর্থাৎ শরীর মনে রেখে দেয় কোন অঙ্গ কেমনভাবে কাজ করবে। তাই তো ব্যথা লাগার ৭২ ঘন্টার মধ্যে যদি ক্ষত স্থানে কোনও মুভমেন্ট না হয়, তাহলে ধীরে ধীরে ওই অংশটি অল্প সময়ের জন্য হলেও কাজ করা বন্ধে করে দেয়। কারণ শরীরের সেই অংশটা ভুলে যায় কীভাবে কাজ করতে হবে। তাতে ক্ষত সারতে সময় লাগে। তাই তো ব্যথা জায়গাটা আস্তে আস্তে নারাবেন। তাতে কষ্ট তাড়াতাড়ি কমে যাবে।

৭. এই সব করা একেবারেই যাবে না:

৭. এই সব করা একেবারেই যাবে না:

শরীরে যখন প্রদাহ হয়, তখন কিছু জিনিস না করাই ভাল। যেমন- ধূমপান এবং অ্যালকোহল সেবন বন্ধ রাখতে হবে। এই সময় গরম জলেও স্নান করা চলবে না। কারণ এগুলি করলে ক্ষত সারতে সময় লা বে। ফলে ব্য়থা এবং ফোলা ভাব কমতে সময় নেবে।

৮.পর্যাপ্ত আরাম জরুরি:

৮.পর্যাপ্ত আরাম জরুরি:

শরীরের নিজের ক্ষমতা রয়েছে যে কোনও ক্ষত সারিয়ে ফেলার। আর এই কাজটি যাতে ঠিক মতো হয়, তার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। তাই যতদিন না যন্ত্রণা বা ফোলাভাব কমছে, ততদিন বেশি দৌড় ঝাপ করবেন না যেন!

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    English summary

    ব্যথা লাগার পর খুব ফুলে গেছে? চিন্তা নেই এই ঘরোয়া চিকিৎসায় মিলবে আরাম!

    Listed in this article are a few of the best home remedies that help in getting rid of the swelling after an injury.
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more