বেদানার খোসা খাওয়া জরুরি কেন জানেন?

বেদানার খোসাতেও রয়েছে বেশ কিছু উপকারি উপাদান। সেই সঙ্গে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে।

একেবারেই ঠিক শুনেছেন, এবারে থেকে শুধু বেদনা খেলে চলবে না, তার সঙ্গে খোসাটিকেও কাজে লাগাতে হবে। আর এমনটা করলে কী কী হতে পারে জানা আছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

ফলের মতো বেদানার খোসাতেও রয়েছে বেশ কিছু উপকারি উপাদান। সেই সঙ্গে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। রয়েছে ভিটামিন সি-ও। তাহলে বুঝতেই পারছেন, বেদানার সঙ্গে যাদি তার খোয়াটাকেও কাজে লাগানো যায় তাহলে দ্বিগুণ উপকার পাওয়া যায়।

এখন প্রশ্ন হল, বেদানার খোসায় উপস্থিত নানা উপকারি উপাদান কেমনভাবে শরীরের উপকারে লাগে?

১. হার্টের স্বাস্থ্য ভাল হয়ে ওঠে:

১. হার্টের স্বাস্থ্য ভাল হয়ে ওঠে:

বেদানার খেসায় উপস্থিতি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্টের পক্ষে ক্ষতিকর উপাদানগুলি শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

২. দাঁতকে ভাল রাখে:

২. দাঁতকে ভাল রাখে:

মুখ থেকে কি খুব দুর্গন্ধ বেরোয়? চিন্তা নেই! এই ধরনের সমস্যা কমাতে বেদানার খোসা দারুন কাজে আসতে পারে। এক্ষেত্রে খোসাটা প্রথমে গুঁড়ো করে নিন। তারপর সেটি পরিমাণ মতো জলের সঙ্গে মিশিয়ে এতটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এই পেস্টটা দিয়ে দাঁত মাজলেই দেখবেন মুখের গন্ধ নয় একেবারে চলে যাবে, সেই সঙ্গে মুখ গহ্বর সম্পর্কিত নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

৩. হাড়কে শক্ত করে:

৩. হাড়কে শক্ত করে:

বেদানার খোসায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা হাড়কে আরও শক্তপোক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে অনেক মহিলাই নানাবিধ হাড়ের রোগে ভুগে থাকেন। তাই তো তাদের বেশি করে বেদানার খোসা খাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে বেদানার খোসা থেকে সংগ্রহ করা তরল প্রতিদিন খেলে অস্টিওপোরোসিস এবং বোন ডেনসিটি লসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

৪. কাশি, সর্দি এবং গলার ব্যথা কমায়:

৪. কাশি, সর্দি এবং গলার ব্যথা কমায়:

বেদানার খোসাকে পিষে তা থেকে প্রথমে পাউডার বানিয়ে নিন। তারপর অল্প করে সেই পাউডার নিয়ে এক গ্লাস জলের সঙ্গে মিশিয়ে জলটা গরম করে নিন। তারপর তা দিয়ে গার্গেল করুন। কয়েকবার এমনটা করলেই একেবারে সুস্থ হয়ে উঠবেন।

৫. শরীরের বয়স কমায়:

৫. শরীরের বয়স কমায়:

শরীরের বয়সকে ধরে রাখতে বেদানার খোসা দারুনভাবে সাহায্য করে। আসলে এতে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান কোষের বংশবৃদ্ধিতে ঘটায়। ফলে খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীরের বয়স কিন্তু একেবারেই বাড়তে চায় না।

৬. ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়:

৬. ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়:

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকার কারণে ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে বেদানার খোসা দারুন কাজে লাগে। বিশেষত স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি। সেই সঙ্গে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে যাতে ত্বকোর কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৭. শরীরকে টক্সিন মুক্ত করে:

৭. শরীরকে টক্সিন মুক্ত করে:

বেদানার খোসায় উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত নানা ক্ষতিকর টক্সিনকে বাইরে বের করে আনে। ফলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতা একদিকে যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি নানা বিধে জটিল রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:

ব্রণ কমানোর পাশপাশি নানাবিধ ত্বকের রোগের প্রকোপ কমাতে বেদানার খোসা দারুনভাবে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে প্রথমে বেদানার খোয়ার পাউডার বানিয়ে নিন। তারপর সেই পাউডার মধু অথবা গোলাপ জেলর সঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে মুখে লাগান। প্রতিদিন এই মিশ্রনটি মুখে লাগালে ত্বকের সৌন্দর্য চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পাবে। প্রসঙ্গত, বেদানার খোসায় উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট নানাবিধ ত্বকের সংক্রমণকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯. খুশকি কমায়:

৯. খুশকি কমায়:

বেদানার খোসার পাইডার, গরম নারকেল তেলে মিশিয়ে কম করে ১৫ মিনিট স্কাল্পে মাসাজ করুন। কয়েকদিন এমনটা করলেই দেখবেন খুশকি একেবারে কমে যাবে।

Story first published: Saturday, April 8, 2017, 13:25 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion