অ্যালকহলের সাহায্যে এক চুটকিতে সারান সর্দি-কাশি!

Posted By: Staff
Subscribe to Boldsky

ঘাবড়ে যাবেন না বা চিন্তায় পড়বেন না, আপনি এই প্রবন্ধের শীর্ষকটি পড়তে কোনও ভুল করেননি! যদিও স্বাভাবিক ভাবেই, বিষয়ের বর্ণনায় রোগের চিকিৎসায় মদের ব্যবহার, অনেকের মনেই কৌতূহল সৃষ্টি করবে। তাই না?

আমরা সবাই জানি যে অতিরিক্ত মাত্রায় মদ্যপান বা নিয়মিত অল্প মাত্রায় মদ্যপানও শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।

উদাহরণ স্বরুপ, সপ্তাহের কিছুদিন একটা দুটো গ্লাস ওয়াইন খাওয়া যেতেই পারে (তার কারণ তার আনুসাঙ্গিক উপকারিতার জন্য)। কিন্তু নিয়মিত একটা বা দুটো ভোদকা সট্ খাওয়া শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক! তাই মদের ধরণ ও মাপ অনুযায়ী প্রত্যেকের উচিত নিজের সীমার মধ্যে থাকা। আর পারলে এই নেশার অভ্যেস থেকে নিজেকে পুরোটা ছাড়িয়ে নিতে পারলে সবেচেয়ে ভাল হয়।

বেশি মাত্রায় মদ্যপানের কি পরিণতি হতে পারে সে তো আমরা সবাই জানি, তাই না? এক্ষেত্রে মোটা হয়ে যাওয়া, কোলেস্টারল বেড়ে যাওয়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি, মনের ঘনঘন রকমফের, আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা, বিষণ্ণতায় ভোগা, সব সময় উদ্বিগ্ন ভাব বা কোন রকম মানসিক আসক্তি প্রভৃতি সমস্যাগুলি হয়ে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে সর্দি কাশি সারানো

মদাসক্তি থেকে নিজেকে পুরোপুরি মুক্ত করা খুবই কঠিন ব্যাপার। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অনেক রকমের পুনর্বাসন ও মনোরোগের চিকিৎসা বা যত্নের প্রয়োজন পরে। কিন্তু একথাও ঠিক যে আপাত দৃষ্টিতে যা ক্ষতিকারক, সেই মদের সাহায্যে সর্দি কাশির মত রোগও সারনো সম্ভব। কিন্তু কী করে?

বেশ, এবার তাহলে অবাক হওয়ার পালা। এই ঘরোয়া চিকিৎসায় আপনাকের একেবারেই মদের সেবন করতে হবে না। এক্ষেত্রে মদের ব্যবহার হবে একেবারে অন্যভাবে। তাই আর অপেক্ষা না করে কীভাবে মদের সাহায্যে চিকিৎসা করবেন, জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে।

প্রয়োজনীয় উপাদান :

  • ব্র্যান্ডি বা ভোদকা - ৩-৪ টেবিল চামচ
  • তুলো - ১টা
প্রাকৃতিক উপায়ে সর্দি কাশি সারানো

আমরা সবাই জানি যে বর্ষাকালে, বিশেষ করে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মত জীবাণু খুব সহজে প্রবেশ করতে পারে। ফলে এই সময় সবার ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি কাশি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণ সর্দি কাশির জন্য একগাদা অসুধ খাওয়াও খুব একটা ভাল জিনিস নয়, কারণ এর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। তাই তো এই ধরনের রোগের চিকিৎসায় মদকে ব্যবহার করলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু পরিস্থিতি যদি সত্যি গুরুতর হয়, তাহলে কিন্তু অবশ্যই এক ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তার সাথে কিছু জিনিস, যেমন বাইরে খাওয়া, ঠাণ্ডা পানীয় বা কাচা খাবার খাওয়ার খাওয়া বন্ধ রাখা উচিত।

রাই,আটা, আলু ও চিনির মত প্রাকৃতিক উপাদানকে পচিয়ে তার থেকে তৈরী হয় ব্র্যান্ডি ও ভোদকার মত মদ।

এই যে পচানোর পদ্ধতি, এই সময় কিছু এনজাইমের সৃষ্টি হয় এই মাদক পানীয়গুলোতে, যার অনেক ক্ষমতা থাকে কোন কিছু ফোলা বা ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণ রোধ করার। এর জন্যই এই মদগুলোকে অনেক সময় সংক্রমণ শক্তিনাশক বা প্রাকৃতিক ব্যথা নিরাময়ের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে সর্দি কাশি সারানো

মদের ভাপ বা বাষ্প আপনার শরীরে প্রবেশ করে পেটের নাভি দিয়ে। এরপর অসুখ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়ে তার ধ্বংস করে। সেই জন্যই এই মদগুলো সাধারণ সর্দি কাশি কমাতে খুব কার্যকারি হয়। তাছাড়াও নাভির এলাকায় এই মদ যদি বুলিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই এর থেকে তাপ বেরোয় ভেতরে। এটা সর্দি কাশির বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধি করা।

কী করে করবেন:

• তুলোর টুকরোটা প্রস্তাবিত মাত্রায় ব্র্যান্ডি বা ভোদকায় চোবান।

• ভেজানো তুলোটা নাভির আশেপাশে বোলান।

• যতক্ষণ ইচ্ছে, ততক্ষণ রেখে দিতে পারেন।

Read more about: মদ, কাশি
English summary
Do not worry; you haven't made any mistake in reading the title of this article. Although, the word alcohol in the title related to treating ailments can arouse a lot of curiosity in people, right?
Story first published: Saturday, June 24, 2017, 18:04 [IST]
Please Wait while comments are loading...