Cancer: বিশ্ব ক্যানসার দিবস কেন প্রতিবছর পালিত হয়? জানুন এই বিশেষ দিনের তাৎপর্য

By Bhagysree Sarkar

Cancer: সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতেও থাবা বসিয়েছে ক্যানসার। এই রোগের নাম শুনলেই যেন গভীর উদ্বেগ এসে জমে মাথায়। খরচ তো রয়েছেই, সঙ্গে রোগীর শারীরিক অবস্থাও আশঙ্কাজনক। উন্নত-আধুনিক দেশ থেকে একেবারে পিছিয়ে পড়া যেকোনও দেশেই ক্যানসারের জেরে মৃত্যুর খবর শোনা যায়। তথ্য অনুযারী, বিশ্বে মৃত্যুর কারণ হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মারণরোগ ক্যানসার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা (Awareness) এবং সঠিকভাবে জীবনযাত্রা, এই দুইয়ের মাধ্যমেই একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব এই মারণরোগ। তাই ক্যানসার নিয়ে আশঙ্কার বদলে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া বেশি জরুরি। আর এই কারণেই, প্রতি বছর ৪ঠা ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যানসার দিবস (World Cancer Day)। এই বিশেষ দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হল ক্যানসার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের উৎসাহিত করা।

world cancer day

সূত্রের খবর, ২০২১ সালে প্রায় এক কোটি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বে ক্যানসারের হার ৭৫ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতে ক্যানসার প্রতিরোধ, প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস (World Cancer Day) পালন করা হয়।

চিকিৎসকরা বলছেন, ফুসফুসের ক্যানসার সারা বিশ্বে একটি চ্যালেঞ্জ রয়ে গিয়েছে। বিশ্বব্যাপী এই রোগে প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জনের মৃত্যুর জন্য এই ধরণের ক্যানসার দায়ী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এটি ক্যানসারের মৃত্যুর প্রধান কারণ। ধূমপান সাধারণত প্রধান ঝুঁকির কারণ, তবে দূষণ এবং জিনগত কারণের কারণে অধূমপায়ীরাও ঝুঁকিতে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে, ধূমপান ত্যাগ করা ছাড়াও, ঝুঁকি কমানো যেতে পারে (Lung cancer prevention tips) শুধুমাত্র অন্য কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে।

শারীরিক পরিশ্রম হল ফুসফুসের ক্যানসার থেকে নিজেকে বাঁচানোর অন্যতম উপায়। এজন্য আপনাকে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিটের মাঝারি ব্যায়াম করতেই হবে। এছাড়া সারাদিনে দ্রুত হাঁটাহাঁটি কিংবা সাইকেল চালানোর মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখতে পাবেন। ক্যানসার থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে বায়ু দূষণ। আপনার পরিচিত বা প্রিয় ব্যক্তি যদি ধূমপানে আসক্ত হয়, তাহলে চেষ্টা করতে হবে ধূমপান থেকে তাদের বিরত রাখার।

পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ একটি খাদ্য ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্রোকলির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি অতিরিক্ত সুরক্ষা প্রদান করে। এছাড়াও, নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের ক্যান্সার সহ অনেক ধরণের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, ক্যানসারের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত নিজেদের পরীক্ষা করানো উচিত। উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য, যেমন যাদের পারিবারিক ইতিহাস আছে বা যাদের বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে এসেছে, নিয়মিত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Story first published: Friday, January 31, 2025, 13:31 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion