Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টেই শ্রবণ শক্তি ফিরে পেয়েছিলেন রিজওয়ানা! কী এই ইমপ্ল্যান্ট? জেনে নিন
কেউ জন্ম থেকেই শ্রবণশক্তির সমস্যায় ভোগেন, আবার কারও সমস্যার সূত্রপাত হয় পরবর্তী জীবনে। এ রকমই সমস্যা নিয়ে জন্মেছিলেন কেরালার বাসিন্দা রিজওয়ানা। জন্মের পর থেকেই ভালো করে শুনতে পেত না সে। ফলে আর পাঁচটা বাচ্চার মতো সহজ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারত না রিজওয়ানা। এভাবে ছয় বছর কেটে যাওয়ার পর, হঠাৎই ঘটল মিরাকেল! ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টে (cochlear implant) সে ফিরে পেল তাঁর শ্রবণ শক্তি। সেই ছয় বছর বয়সে রিজওয়ানা প্রথম শুনেছিলেন মায়ের গলার স্বর, বৃষ্টির ফোঁটার শব্দ, চড়ুই পাখির ডাক...। আজ কোট্টায়ামের সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমবিবিএস অধ্যয়নরত রিজওয়ানা। ৩ মার্চ, ওয়ার্ল্ড হিয়ারিং ডে উপলক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রিজওয়ানার জীবনের গল্প তুলে ধরেছে।
রিজওয়ানার এক বছর বয়সে, তাঁর বাবা-মা জানতে পারেন মেয়ের এই অক্ষমতার কথা। তার পর থেকেই মেয়েকে সুস্থ করে তোলার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা শুরু করেন। এর পর ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টের কথা জানতে পেরেই তাঁরা এক মুহুর্ত নষ্ট না করেই মেয়ের চিকিৎসা শুরু করেন এবং সফল হন।

ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্ট (Cochlear implant) কী?
জন্মগত বধির শিশুদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে এই ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্ট। এই চিকিৎসায় রোগী খুব ভালো ভাবে কানে শুনতে পায়। শিশুর জন্মের এক বছর পরেও যদি দেখা যায় যে শিশুটি কোনও আওয়াজে সাড়া দিচ্ছে না, কোনও কথা বলছে না, তা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা দরকার।
ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হল ছোটো একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস। এই ডিভাইস ককলিয়ার নার্ভকে (এর জন্যই কানে শুনতে পাওয়া যায়) উদ্দীপ্ত করে তোলে শব্দের অনুভূতি জাগানোর জন্য। জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া করেই এই সার্জারি করা হয়। মাস্টয়েড হাড়কে খোলার জন্য কানের পেছনে একটা ছেদ করা হয়। ককলিয়াকে পাওয়ার জন্য মুখের স্নায়ুকে শনাক্ত করে মাস্টয়েড হাড় ও মুখের স্নায়ুর মাঝখানে ফাঁকা জায়গা একটা তৈরি করা হয়। ককলিয়া খুলে গেলেই এর মধ্যে ইমপ্ল্যান্ট ইলেকট্রোড ইনসার্ট করে দেওয়া হয়। কানের পেছনে এই ইলেকট্রিক ডিভাইস বসিয়ে ছেদ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টের পর পরই যে শিশু কথা বলতে শুরু করবে তেমনটা কিন্তু নয়। এই মেশিন কানে লাগানোর পর বেশ কিছুদিন স্পিচ থেরাপি চলে। তারপর শিশু কথা শুনতে ও বলতে শুরু করে।



Click it and Unblock the Notifications