বিশ্ব হার্ট দিবস কবে পালিত হয়? হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে জানুন প্রতিরোধের উপায়গুলি

By Bhagysree Sarkar

প্রতি বছর ২৯ শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়। এই দিনটি পালন করা হয় হার্ট বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা এবং প্রতিরোধের উপায়গুলি প্রচার করার উদ্দেশ্যে। বিশ্ব জুড়ে হৃদরোগের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন এবং এর অংশীদারদের নেতৃত্বে এই পালন করা হয়। ক্রমশ হার্টের অসুখের বিষয়ে সচেতনা বৃদ্ধির গুরুত্ব আরও বাড়ছে। আর সেই উপলক্ষ্যেই এই দিবসটির গুরুত্বও বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাই ব্লাড প্রেসার কিন্তু মহামারীর থেকে কম নয়। এতে শুধু যে বয়স্কদের ঝুঁকি বাড়ছে তা কিন্তু নয়, কমবয়সীরাও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। যার ফলস্বরূপ কমবয়সেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন অনুসারে, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এই মুহূর্তে বিশ্বের সব চেয়ে বড় প্রাণঘাতী রোগ। প্রতি বছরে প্রায় ১৮.৬ মিলিয়ান মানুষ এই রোগে প্রাণ হারান। তবে বিশেষ করে, করোনা মহামারীর সময় প্রায় ৫২০ মিলিয়ান মানুষ কার্ডিওভাসকুলারের কবলে পড়েছেন।

heart

১৯৯৯ সালে প্রথম ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন ও ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের মিলিত প্রচেষ্টায় এই দিন সারা বিশ্ব জুড়ে হার্ট দিবস হিসেবে পালন করা হবে বলে ঠিক হয়। তবে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট (১৯৯৭-২০১১) অ্যান্টনি বয়েঁস দে লুনা এই বিশেষ দিনটিকে উদ্‌যাপনের কথা বলেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে সেপ্টেম্বরের শেষ রবিবার বিশ্ব হার্ট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমত প্রথম ২০০০ সালে ২৪শে সেপ্টেম্বর মহাসমারোহে এই দিবস পালিত হয়।

হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে সাধারণ সতর্কতা লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে-

  • বুকে ক্রমাগত ব্যথা, ছড়িয়ে পড়তে পারে চোয়াল, কাঁধ, দাঁত, গলা, হাতে।
  • হাত ও ঘাড় ব্যথা
  • পেটে তীব্র ব্যথা
  • কাশি ও শ্বাসকষ্ট
  • অতিরিক্ত ঘাম
  • অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • হঠাৎ পালস রেট খুব বেড়ে যাওয়া বা একেবারে কমে যাওয়া।

আপনি একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অবলম্বন করে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে পারেন, যেমন-

  • ধূমপান ত্যাগ করুন।
  • কমপক্ষে প্রতি দুই বছরে একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত।
  • ৪০ বছর থেকে ৪৫ বছর হলে প্রতিবছর অন্তত একবার রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করা উচিত।
  • আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সমস্যায় ভোগেন, তবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • কম চর্বিযুক্ত এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার বেছে নিন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ অংশ ফল এবং শাকসবজি খান।
  • পাশাপাশি পরিমিত অ্যালকোহল সেবন।
  • ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য স্ট্রেস-কমানোর ক্রিয়াকলাপ শিখুন।
  • কমপক্ষে প্রতি চার থেকে ছয় বছরে একবার রক্তের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত।

Story first published: Friday, September 27, 2024, 14:38 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion