Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Havana syndrome : হাভানা সিনড্রোম কী? কেন হয়? জানুন এর কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা সম্পর্কে
আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস-এর সিঙ্গাপুর থেকে ভিয়েতনাম যাওয়ার কর্মসূচী বাতিল হওয়ার পর, শোনা যাচ্ছে কয়েকজন মার্কিন কূটনীতিক এক অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। এর ফলে উঠে আসছে হাভানা সিনড্রোমের কথা।

২০১৬ সালে প্রথমবার হাভানা (কিউবা)-তে মার্কিন কূটনীতিকদের মধ্যে এক অজানা রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। তার পরের বছর চিনের মার্কিন দূতাবাসেও এই একই রোগ দেখা দেয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক এ সম্পর্কে বিস্তারিত।

হাভানা সিনড্রোমের লক্ষণ
হাভানা সিন্ড্রোমের লক্ষণগুলি হল -
১) এক বা উভয় কানে ব্যথার পাশাপাশি হঠাৎ জোরে শব্দ শোনা।
২) মাথায় চাপ বা কম্পনের অনুভূতি।
৩) বিকট শব্দ শোনা।
৪) মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তি
৫) স্মৃতিশক্তি হ্রাস, অনিদ্রা এবং বিভ্রান্তি।

হাভানা সিনড্রোমের কারণ
প্রাথমিকভাবে, বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ করেছিলেন যে হাভানা সিন্ড্রোম কোনও বিষাক্ত রাসায়নিক, কীটনাশক বা ওষুধের আকস্মিক বা ইচ্ছাকৃতভাবে সংস্পর্শে আসার ফলে হয়েছে। তবে গবেষণায় আক্রান্ত ব্যক্তি বা তার বাড়িতে এমন কোনও জিনিসের অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, এটি মনে করা হচ্ছে যে, হাভানা সিন্ড্রোমের পিছনে কোনও ধরণের যান্ত্রিক উপকরণের হাত আছে যা আল্ট্রাসোনিক বা মাইক্রোওয়েভ শক্তি নির্গত করে।
এতে, একটি হাইলি স্পেশ্যালাইজড বায়োওয়েপনরি-এর মাধ্যমে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি ব্যক্তির কানে পৌঁছে দেওয়া হয়, যা কানে উপস্থিত তরলকে মাইক্রোবাবল করার ক্ষমতা রাখে। যখন এই বাবল রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে যায়, তখন এতে মাইক্রো বায়ু এম্বোলির সমস্যা হতে পারে, যার ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলিকে ড্যামেজ করতে পারে। এটি ডিকোম্প্রেশন সিকনেসের অনুরূপ (গভীর সমুদ্রের ডুবুরিদের মধ্যে সাধারণত এটি দেখা যায়।)
এই সম্পর্কে আরেকটি তত্ত্ব হল যে, যখন আপনার মস্তিষ্ক সরাসরি কোনও রেডিওফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গের সংস্পর্শে আসে, তখন এতে মস্তিষ্কের রাসায়নিক এবং বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপ বিঘ্নিত হয় এবং এর কারণে কিছু স্নায়ুতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হতে কিছুটা সময় নেয়। মস্তিষ্কে রিকানেক্ট প্রোগ্রামের কারণে এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

হাভানা সিনড্রোমের চিকিৎসা
এমআরআই স্ক্যানের মাধ্যমে, আক্রান্ত রোগীদের হোয়াইট ম্যাটার-এর তুলনা সুস্থ ব্যক্তির সঙ্গে করা হয়। যেখানে তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ এবং কাঠামোর মধ্যে পার্থক্য এবং পরিবর্তন সম্পর্কে মূল্যায়ন করা হয়।
এছাড়া, এই গুরুতর সিন্ড্রোমের চিকিৎসায় অনেক সময় ডাক্তাররা মেডিটেশন, আর্ট থেরাপি, ব্রিদিং এক্সারসাইজ এবং acupuncture-এর পরামর্শ দেন।
এছাড়া, রিহ্যাবিলিটেশনে একটি বিশেষ স্নায়বিক ব্যায়ামের এক ঘণ্টা সেশন নিয়েও এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য হয়।



Click it and Unblock the Notifications