Public toilet: পাবলিক টয়লেটের ব্যবহার বাড়াতে পারে একাধিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি, মাথায় রাখতেই হবে এই বিষয়গুলি

By Bhagysree Sarkar

Public toilet: শপিং মল বা কর্মক্ষেত্রে পাবলিক টয়লেট (Public toilet) ব্যবহারের কথা ভাবলেই গায়ে জ্বর আসে। তাই টয়লেট ব্যবহারের আগে ১০ বার ভাবতে হয়। নোংরা ও ময়লা সঙ্গে দুর্গন্ধে ভরা এই টয়লেটগুলি। যারজন্য আমরা প্রায়ই এই টয়লেট ব্যবহার করতে অপছন্দ করি। তবে কখনও কখনও পরিস্থিতি এমন হয়ে যায় যে সেগুলি ব্যবহার করা ছাড়া উপায় থাকে না। টয়লেট সিট ওয়েস্টার্ন ডিজাইনের হলে (Toilet seat western design) এই সমস্যা আরও যেন গুরুতর হয়। তাহলে কী করে এই সমস্যা এড়াবেন জানেন?

বর্তমানে অনেকেই কর্ম জীবন নিয়ে বাড়ির বাইরে সময় কাটাই। তাই এই সময়গুলি পাবলিক টয়লেট ব্যবহার ছাড়া উপায় থাকে না। অনেকেই পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের ভয়ে প্রস্রাব (urine) চেপে রাখতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর এসবে বাড়ে রোগের ঝুঁকি। এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনাকেও পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হয়, তাহলে জেনে নিন কীভাবে নোংরা টয়লেট আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে এবং তা প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে (Toilet hygiene tips)।

public toilet

নোংরা টয়লেটে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবী দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই এই জীবাণুর সংস্পর্শে আসার ফলে অনেক রোগ হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে-

  • ডায়রিয়া- নোংরা টয়লেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সবচেয়ে সাধারণ রোগ হল ডায়রিয়া। ডায়রিয়ার কারণে শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয় এবং একজন দুর্বলতা অনুভব করে।
  • টাইফয়েড- এটি একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ। যা দূষিত খাবার বা জলের মাধ্যমে ছড়ায়। এর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়া। নোংরা টয়লেট ব্যবহার করলে এই ব্যাকটেরিয়া হাত দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
  • ইউটিআই- নোংরা টয়লেট ব্যবহারের কারণে ইউটিআই হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাও বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে। এই কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, চুলকানি ও ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Green Apple: হার্ট সুস্থ রাখার সঙ্গেই ওজন কমাতেই সহায়ক এই ফল, উপকারিতা শুনলে চমকে উঠবেন

  • চর্মরোগ - নোংরা টয়লেটে ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে ত্বকের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। যেমন দাদ এবং স্ক্যাবিস। পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া হাতের মাধ্যমে মুখে পৌঁছতে পারে, যা ব্রণের সমস্যাও তৈরি করতে পারে।
  • হেপাটাইটিস এ- এটি একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা দূষিত জল বা মলের মাধ্যমে ছড়ায়। এর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জন্ডিস, লিভার ফুলে যাওয়া, জ্বর, ক্লান্তি এবং বমি। এই ভাইরাসটি নোংরা টয়লেটের পৃষ্ঠে কিছু সময়ের জন্য বেঁচে থাকতে পারে, যেখান থেকে এটি আপনার শরীরে প্রবেশ করে।

নোংরা টয়লেট প্রতিরোধের উপায়-

  • স্বাস্থ্যবিধির যত্ন নিন- টয়লেট ব্যবহারের পর সবসময় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। আপনার আঙ্গুলের মধ্যে এবং আপনার নখের নীচে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।
  • নিয়মিত পরিষ্কার করা- নিয়মিত টয়লেট পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। টয়লেট সিট, ফ্লাশ, দেয়াল এবং মেঝে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
  • জীবাণুনাশক ব্যবহার- পরিষ্কারের জন্য জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন। এটি ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস মেরে ফেলতে সাহায্য করে।
  • টয়লেট স্প্রে বা কভার ব্যবহার করুন- পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করার সময় টয়লেট স্প্রে বা টয়লেট সিট কভার ব্যবহার করুন।
  • পরিষ্কার জল ব্যবহার করুন- টয়লেট ব্যবহারের আগে এবং পরে সর্বদা পরিষ্কার জল ব্যবহার করুন।
  • ডাস্টবিনের ব্যবহার- টয়লেট পেপার বা নোংরা প্যাড ইত্যাদি ফেলতে ডাস্টবিন ব্যবহার করুন। খোলা জায়গায় আবর্জনা ফেলবেন না।
  • ঢাকনা বন্ধ করুন এবং ফ্লাশ করুন- টয়লেট ফ্লাশ করার আগে ঢাকনা বন্ধ করুন। এতে টয়লেট থেকে জীবাণু দূর হবে না।
  • গ্লাভস ব্যবহার- টয়লেট ব্যবহারের সময় ডিসপোজেবল গ্লাভস ব্যবহার করুন। এটি আপনার হাতকে নোংরা হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

Story first published: Monday, October 14, 2024, 13:49 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion