Stealth Omicron: সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ওমিক্রন BA.2, ধরা পড়ছে না RT-PCR পরীক্ষায়ও!

করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের দাপটে এমনিতেই মানুষ ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে, এবার চুপিসাড়ে ঢুকছে ওমিক্রনের সাব স্ট্রেনও। BA.2 নামক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের এই নয়া রূপ ইতিমধ্যেই ৪০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ওমিক্রনের এই সাব ভ্যারিয়েন্টকে বলা হচ্ছে 'স্টেলথ ওমিক্রন'। এটি চিহ্নিত করা যাচ্ছে না আরটি-পিসিআর পরীক্ষায়, তাই এই BA.2 স্ট্রেনটিকে আরও বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

Stealth Omicron

বিএ.২ সাব-স্ট্রেন নিয়ে তদন্ত করছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এটিকে 'ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন' হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ওমিক্রনের এই নতুন রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কতগুলি সাব-স্ট্রেন আছে?

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কতগুলি সাব-স্ট্রেন আছে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মোট তিনটি সাব-স্ট্রেন রয়েছে - BA.1, BA.2 এবং BA.3। তবে এখনও পর্যন্ত বিশ্বে যত ওমিক্রন কেসের সিকোয়েন্সিং হয়েছে, তার মধ্যে থেকে দেখা গিয়েছে যে ৯৯ শতাংশই BA.1 সাব-স্ট্রেন। এবার ধীরে ধীরে BA.2 স্ট্রেনও একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। WHO আরও জানিয়েছে যে, B.1.1.529 সম্পর্কে আরও জানার জন্য এখনও গবেষণা চলছে।

BA.2 সাব-ভ্যারিয়েন্ট কোথায় কোথায় পাওয়া গিয়েছে?

BA.2 সাব-ভ্যারিয়েন্ট কোথায় কোথায় পাওয়া গিয়েছে?

এখনও পর্যন্ত BA.2 সাব-স্ট্রেনটি পাওয়া গেছে ব্রিটেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেনে। ফ্রান্স এবং ভারতের বিজ্ঞানীরাও BA.2 সাব-ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত বিস্তার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি অন্যান্য ওমিক্রন স্ট্রেনকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিএ.২ ব্রিটেনে বেশ সমস্যা তৈরি করেছে।

ডেনমার্কে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। ডেনমার্কে ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে এই সাব-স্ট্রেনটি। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত BA.2 আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ডেনমার্কে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি।

গবেষকদের মতে, BA.1-র সঙ্গে ৩২টি মিউটেশন ভাগ করে নিয়েছে BA.2। কিন্তু এটিতে ২৮টি অনন্য মিউটেশন রয়েছে।

'স্টেলথ ওমিক্রন' কেন বলা হচ্ছে?

'স্টেলথ ওমিক্রন' কেন বলা হচ্ছে?

গবেষকরা বলছেন, বিএ.১ সাব-স্ট্রেনের মিউটেশনে স্পাইক জিন ধরা পড়ে পিসিআর পরীক্ষায়। কিন্তু এই ধরনের মিউটেশন নেই বিএ.২-র, ফলে তা ধরা পড়ে না। যার কারণে একে বলা হয় 'স্টেলথ ওমিক্রন' বা 'চোরা ওমিক্রন'। বিএ.১ সাব স্ট্রেনও অনেক সময় আরটি-পিসিআর পরীক্ষাকে ফাঁকি দিলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা সংক্রমণ চিহ্নিত করতে এই পরীক্ষাই সবথেকে শ্রেয়। গবেষকরা বলছেন যে, এই "গুপ্ত" ভ্যারিয়েন্টটি জেনেটিক্যালি আলাদা এবং তাই এটি ভিন্নভাবে আচরণ করতে পারে।

X
Desktop Bottom Promotion