Infertility: রাত জেগে কাজ? শুধু রোগ নয়, ডেকে আনে বন্ধ্যাত্বও, কী বলছেন চিকিৎসকরা

By Bhagysree Sarkar

Infertility: বর্তমানে পরিবর্তনশীল জীবনধারায় নানান স্বাস্থ্য় সমস্যার (Health problems) জন্ম হচ্ছে। খাদ্য থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে চলেছে। ক্রমবর্ধমান কাজের চাপ ও সময়ের চাহিদার কারণে নানান কোম্পানিতে নাইট শিফটের ব্যবস্থা (Night shift) চালু হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তবে এই পরিস্থিতিতে নাইট শিফটে ক্রমাগত কাজ করার কারণে (Night shift side effects) ব্যক্তির স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাত জেগে কাজ করা শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সমস্যাই নয়, এটি হতে পারে বন্ধ্যাত্বের কারণও (Night shift causes infertility)। বর্তমানে সন্তান ধারণ করতে না পারার সমস্যা নিয়ে অনেক দম্পতিই উদ্বিগ্ন থাকেন। এবিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, রাতের শিফটে কাজ করা পুরুষ ও মহিলা উভয় কর্মীদের জন্যই ক্ষতিকর। চলুন আজকের প্রতিবেদনে জেনে নিন কীভাবে রাতের শিফট আপনার প্রজনন ক্ষমতাকে (Night shift affects fertility) প্রভাবিত করে-

sad

চিকিৎসকরা বলছেন, নাইট শিফট এবং প্রজনন ক্ষমতার মধ্যে সংযোগ দেখানোর জন্য প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। কিছু গবেষণা অনুসারে, মহিলাদের জন্য রাতের শিফটগুলি মাসিকের অনিয়ম, গর্ভপাতের ঝুঁকি এবং গর্ভধারণে অসুবিধার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। সার্কাডিয়ান ছন্দের ব্যাঘাত ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মতো প্রয়োজনীয় প্রজনন হরমোনের নিঃসরণকে প্রভাবিত করে। যা ডিম্বস্ফোটন এবং গর্ভাবস্থা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে পুরুষদের নাইট শিফটের কারণে তাদের শুক্রাণুর গুণমান হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সঙ্গে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা হ্রাস পায়। পাশাপাশি অন্যান্য হরমোনগুলিও ভারসাম্যহীন হতে পারে। যার ফলে প্রজনন ক্ষমতার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।


মহিলাদের জন্য নাইট শিফট নিম্নলিখিত প্রভাব ফেলে-

  • চিকিৎসকরা বলছেন, ক্রমাগত নাইট শিফটে কাজ করলে পিরিয়ড চক্র ব্যাহত হতে পারে। সঙ্গে অ্যানোভুলেশনের (Absence of ovulation) মতো অবস্থা ঘটতে পারে, যা গর্ভাবস্থাকে আরও কঠিন করে তোলে।
  • দীর্ঘ দিন ধরে নাইট শিফটে কাজ করলে, মহিলাদের ক্রমাগত হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং ডিম্বস্ফোটন হ্রাস পেতে পারে। এগুলি বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
  • সার্কাডিয়ান ছন্দের ব্যাঘাত এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ডিমের সংখ্যা এবং গুণমানকে প্রভাবিত করে। যা প্রজনন ক্ষমতাকে হ্রাস করে।
  • শুধু তাই নয়, নাইট শিফটে কাজ করা মহিলাদের গর্ভপাতের ঝুঁকিও বাড়ে।
  • সঙ্গে মহিলাদের এন্ডোমেট্রিওসিস এবং পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

পুরুষদের জন্য নাইট শিফট নিম্নলিখিত প্রভাব ফেলে-

  • বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে দীর্ঘ সময় কাজ করলে পুরুষদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা হ্রাস পায়। যা সামগ্রিক প্রজনন স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।
  • সঙ্গে সার্কাডিয়ান ছন্দের ব্যাঘাত শুক্রাণুতে ডিএনএ বিভক্তকরণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যা প্রজনন ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে। এছাড়া গর্ভধারণের সময় শিশুর গর্ভপাত বা জেনেটিক অস্বাভাবিকতার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।
  • স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটানা নাইট শিফট করলে পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। যা বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

Story first published: Saturday, November 23, 2024, 12:10 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion