For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

Marburg Virus : ৮-৯ দিনের মধ্যেই মৃত্যু হয় সংক্রামিত ব্যক্তির, জানুন এই ভয়ানক ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত

|

কোভিডের প্রকোপে একেই নাজেহাল বিশ্ববাসী, তার ওপর আবার মাঝেমাঝেই নানান রোগের উদ্ভব হচ্ছে। এবার খোঁজ মিলল আরও এক নতুন ভাইরাসের। ইবোলার মতো উচ্চ সংক্রামক আরেকটি ভাইরাস প্রথমবারের মতো পশ্চিম আফ্রিকায় শনাক্ত হয়েছে, যার নাম মারবার্গ ভাইরাস।

মারবার্গ রোগ একটি বাদুড় বাহিত রোগ এবং এই ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৮৮ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই ভাইরাসের প্রথম ঘটনা দক্ষিণ গুয়েকেদো থেকে পাওয়া গেছে। মাত্র দুই মাসে আগে গিনিকে ইবোলামুক্ত ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই দেশটিতে গত বছর ইবোলা ভাইরাস ছড়িয়ে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ঠিক তার দুই মাসের মাথায় মারবার্গের উপস্থিতি আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত।

মারবার্গ ভাইরাস কী?

মারবার্গ ভাইরাস কী?

মারবার্গ অত্যন্ত মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যার কারণে হেমোরেজিক জ্বর হতে পারে। মারবার্গ এবং ইবোলা উভয়ই একই ভাইরাস পরিবারের সদস্য। WHO অনুসারে, জার্মানির মারবার্গ ও ফ্রাঙ্কফুর্টে এবং সার্বিয়ার বেলগ্রেডে ১৯৬৭ সালে একই সাথে ঘটা দু'টি বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব এই রোগের প্রথম স্বীকৃতি দেয়। এই ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড দুই থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।

মারবার্গ কীভাবে ছড়ায়?

মারবার্গ কীভাবে ছড়ায়?

এই ভাইরাসটি মানুষ ও প্রাণীর দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর উৎপত্তি হল, ফল খাওয়া বাদুড় থেকে। WHO অনুসারে, বাদুড়ের সংস্পর্শের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে মারবার্গ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি সরাসরি অন্যান্য মানুষকেও সংক্রামিত করতে পারে। সংক্রামিত ব্যক্তির রক্ত, অঙ্গ বা অন্যান্য শারীরিক তরল এবং এই তরল দ্বারা দূষিত পৃষ্ঠ ও পদার্থ থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

মারবার্গের লক্ষণ

মারবার্গের লক্ষণ

এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির উচ্চ জ্বর, প্রচন্ড মাথাব্যথা এবং পেশীতে ব্যথা হয়। সংক্রমিত হওয়ার তৃতীয় দিন থেকে, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, খিঁচুনি, বমি বমি ভাব এবং বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয়, যা এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।

গ্লোবাল হেল্থ এজেন্সি জানিয়েছে, সংক্রমণ আরও খারাপ পর্যায়ে পৌঁছোলে সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্তপাত হয়। প্রায়ই নাক, মাড়ি এবং যোনি থেকে রক্তপাত হয়। ভাইরাসটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছাতে পারে, এর ফলে রোগীর মধ্যে বিভ্রান্তি, বিরক্তি এবং আক্রমণাত্মক প্রবণতার মতো লক্ষণও দেখা যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে, সংক্রমিত ব্যক্তি ৮-৯ দিনের মধ্যে মারা যায়।

মারবার্গ রোগের চিকিৎসা

মারবার্গ রোগের চিকিৎসা

WHO-র মতে, মারবার্গ রোগ অন্যান্য সংক্রামক রোগ, যেমন - ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড জ্বর, শিগেলোসিস, মেনিনজাইটিস এবং অন্যান্য ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর থেকে ক্লিনিক্যালি আলাদা করা কঠিন হতে পারে। অ্যান্টিজেন ডিটেকশন টেস্ট, সিরাম নিউট্রালাইজেশন টেস্ট এবং আরটি-পিসিআর টেস্ট, ইত্যাদির মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা যায়।

এই ভাইরাসের কোনও টিকা বা চিকিৎসা নেই। তবে শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি রোগীর সঠিক পরিচর্যা এবং উপসর্গের সঠিক চিকিৎসা, কাজে দিতে পারে।

English summary

Marburg Virus 1st Case Detected in West Africa : Know History, Symptoms, Treatment and How does it Spread, explained in Bengali

Marburg Virus 1st Case Detected in W Africa : Know What is Marburg Virus, Symptoms, Treatment and How does it Spread; explained in Bengali.
X