আপনার ব্রাশ নিরাপদে আছে তো?

Posted By:
Subscribe to Boldsky

নরেন্দ্র মোদির আশেপাশে যদি স্পেশাল প্রটেকশান টিমের কোমান্ডরা না থাকে, আর উনি যদি একা একাই ভিড় রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়ে পরেন, তাহলে কী হবে? কিছু না কিছু অঘটন যে ঘটবেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না! একইভাবে শরীরকে নানাবধি রোগের হাত থেকে বাঁচাতে যেসব কমান্ডদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের যদি ঠিক মতো দেখভাল করা না হয়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! সেক্ষেত্রে হাজারো রোগ তো ঘিরে ধরবেই। সেই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনও দুর্বিসহ হয়ে উঠবে। সবই তো বুঝলাম। কিন্তু আমাদের শরীরের স্পেশাল কোমান্ডরা কারা, সে সম্পর্কে তো জানা হল না।

অনেকেই আছে। তবে তার মধ্যে আজ যাকে নিয়ে আলোচনা করা হবে, সে হল টুথ ব্রাশ। আমাদের দাঁতকে জীবাণুর গোলাগুলির হাত থেকে রক্ষা করতে টুথ ব্রাশই একমাত্র ভরসা। তাই তো এই অস্ত্রটির সঠিক ব্য়বহার জানে নেওয়াটা জরুরি। না হলে শুধু দাঁতে পোকা হওয়াই নয়, সেই সঙ্গে মাড়ি থেকে রক্ত পরা সহ একাধিক মুখ গহ্বরের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাবে। তাই তো এই প্রবন্ধটি পড়ে ফেলা মাস্ট! কারণ এই লেখাটিতে একবার চোখ বোলালেই জেনে যাবেন ব্রাশ ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে।

এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল...

তথ্য ১:

তথ্য ১:

ভুলেও নিজের ব্রাশ অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না। কে বলতে পারে কী জীবাণু লুকিয়ে রয়েছে আপানার বন্ধুর মুখে। আর একবার যদি সেইসব জীবাণু ব্রাশের মাধ্যমে আপনার মুখে এসে বাসা বাঁধে তাহলেই বিপদ! এক্ষেত্রে মারাত্মক কিছু ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই সাবধান!

তথ্য ২:

তথ্য ২:

টয়লেট সিটের ৩ মিটারের মধ্যে কখনও ব্রাশ রাখবেন না। কারণ যখনই আমরা কমোডে জল ফ্ল্যাশ করি তখন তা প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত ছিটকে যায়। তাই তো এই পরিধির মধ্য়ে টুথব্রাশ রাখতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। এই নাংড়া জলে প্রচুর মাত্রায় জীবাণু থাকে। তাই তো এই জল একবার যদি ব্রাশের সংস্পর্শে এসে যায় তাহলে ব্রাশটাও জীবাণুর স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। আর এমন ব্রশ ব্য়বহার করলে কী হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।

তথ্য ৩:

তথ্য ৩:

ব্রাশকে কখনও প্লাস্টিকের ক্যাপ অথবা টিস্যু পেপার দিয়ে কভার করে রাখবেন না। এমনটা করলে ব্রাশে আদ্রতার মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে সেখানে জীবানুদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। আর এমন ব্রাশে মুখ ধুলে শরীরে ক্ষতিকর জীবাণুদের উপদ্রপ বেড়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

তথ্য ৪:

তথ্য ৪:

সব সময় ব্রাশ খাড়া করে রাখবেন। এমনভাবে রাখলে ব্রাশের গায়ে লেগে থাকা জল ঝড়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে। ফলে জীবাণুদের সংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা কমবে। সেই সঙ্গে কমবে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনাও।

তথ্য ৫:

তথ্য ৫:

৩ মাস অন্তর অন্তর মননে করে টুথ ব্রাশ বদলাবেন। এমনটা না করলে ব্রাশে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়তে শুরু করবে। ফলে শরীরের ক্ষতি হওয়ার পথ প্রশস্ত হবে।

Read more about: রোগ
English summary
What is one of the first things you do when you start your day? Probably do some stretches and then brush your teeth, before taking a bath, right? Well, at least 90% of us follow the habit of brushing our teeth in the morning, because it is an extremely healthy and a necessary habit to follow.
Story first published: Thursday, June 22, 2017, 14:50 [IST]
Please Wait while comments are loading...