করোনার নয়া ভ্যারিয়্যান্ট 'ফ্লার্ট' কতটা ভয়ানক? নিরাপদ থাকাতে মেনে চলুন এই টিপস

By Bhagysree Sarkar

ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের একটি নতুন উপপ্রজাতির আবির্ভাব ঘটেছে। সারা দেশের সঙ্গে এদেশেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে সন্ধান পাওয়া গিয়েছে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্টের ওই সাব-ভ্যারিয়্যান্টটি, নাম কেপি.২। তবে বিজ্ঞানীদের দেওয়া নাম 'ফ্লার্ট'।

এটি অবশ্য ওমিক্রন ভাইরাসের থেকেও বেশি শক্তিশালী বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণের আতঙ্কে রয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিতেও। রিপোর্ট অনুসারে, ওমিক্রনের স্পাইক প্রোটিনে পরিবর্তন ঘটে কেপি.২-র জন্ম হয়েছে। জানুয়ারি মাস থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এই উপপ্রজাতিটির দেখা মিলছিল। এবার এদেশেও তা হানা দিয়েছে। মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ৯১ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে। আইএএনএস (IANS) রিপোর্ট অনুসারে মার্চ এবং এপ্রিলের জিনোম সিকোয়েন্সিং মহারাষ্ট্রে কেপি.২ এর ৯১টি কেস ধরা পড়েছে।

FLiRT COVID
  • ফ্লার্ট ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গ-

গবেষকরা বলছেন, করোনা বা ওমিক্রন ভাইরাসের লক্ষণগুলির মতই ফ্লার্ট ভ্যারিয়েন্টের লক্ষণগুলিও। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, সর্দি, নাক থেকে জল পড়া, গলা ব্যথা, প্রচণ্ড ক্লান্তিভাব, প্রচণ্ড জ্বর বা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা, খাবারের স্বাদ না পাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

  • তবে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট 'ফ্লার্ট' কি আরও বিপজ্জনক?

ইতিমধ্যেই ওমিক্রনের বেশ কয়েকটি নতুন ভ্যারিয়্যান্টের খোঁজ মিলেছে। এরমধ্যে দুটি ভ্যারিয়্যান্ট বেশি সংক্রমণাত্মক বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। কেপি.২ ও কেপি১.১ নামের এই ভাইরাস দুটি দ্রুত হারে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই সংক্রমণাত্মক ভাইরাসগুলিকেই একসঙ্গে বলা হচ্ছে ফ্লার্ট। তবে এখনও উদ্বেগের কারণ নেই। বিশেষজ্ঞরা সমস্ত প্রয়োজনীয় কোভিড -১৯ প্রোটোকল গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • কোভিড 'ফ্লার্ট' প্রতিরোধমূলক টিপস-

মাস্ক আপ! প্রতিবার যখন আপনি জনাকীর্ণ জায়গায় বের হন, মাস্ক বহন এবং পরা নিশ্চিত করুন। কোভিড-১৯ জনসংযোগ ও স্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাই নিরাপদ থাকতে মাস্ক পরুন।

পুষ্টি-সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে হবে। ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অনাক্রম্যতা বৃদ্ধিকারী খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। ভিটামিন সি, এ, জিঙ্ক ইত্যাদি বেশি করে রাখুন। সুষম খাবার খান।

যথাযথ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন। বাইরে থেকে আসার সময় হাত ধুয়ে নিন। বাইরে বেরোনোর জন্য এবং বাড়ির ভিতরে থাকার সময় আপনার কাপড় আলাদা রাখুন।

শিশু, বয়স্ক এবং গর্ভবতী মহিলাদের সাধারণত সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাদের জন্য সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা নিশ্চিত করুন।

যদি ফ্লার্ট ভ্যারিয়েন্টের লক্ষণগুলির দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে, তাহলে নিজেকে আলাদা রাখুন। যদি এই লক্ষণগুলির সংমিশ্রণ দ্রুত চলে না যায় তবে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

Story first published: Wednesday, May 15, 2024, 18:35 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion