দাদু-দিদিমাদের পছন্দের কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা

নানা জটিল রোগ সারাতে কাজে আসে বেশ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা। তাই সেগুলির ব্য়পারে আপনাদেরও জেনে নেওয়া উচিত।

ঘরোয়া চিকিৎসার প্রসঙ্গে আমাদের দাদু-দিদিমাদের কেউ হার মানাতে পারবে না। তা সে যেমন ধরনের রোগই হোক না কেন তাদের কাছে পথ্য় রেডি। মাঝে মাঝে তো মনেই হয়, "ধূর এসবে কাজ হয় নাকি!" সত্য়িটা হল আমরা যতই এসবে বিশ্বাস হারাইনা কেন, এই সব ঘরোয়া চিকিৎসা কিন্তু বাস্তবিকই খুব কাজের। তাই তো ২১ শতকেও এমন চিকিৎসার কদর একটুও কমেনি।

আমাদের দেশে নানা রকমের ঘরোয়া পদ্ধতির খোঁজ পাওয়া যায়। কিছু সম্পর্কে আমাদের জানা থাকলেও বেশিরভাগ ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কেই আমাদের তেমন কোনও জ্ঞান নেই। তাই এই প্রবন্ধে কিছু জটিল রোগের চিকিৎসায় ঘরোয়া পদ্ধতি কেমন কাজে আসে সে বিষয়ে আলোচনা করা হল।

১. ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন:

১. ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন:

এক গ্লাস জলে এক চিমটে খাবার সোডা মিলিয়ে পান করুন। দেখবেন অল্প সময়েই কেমন কমে যাবে এই রোগের সব লক্ষণ। যে জীবাণুর কারণে সংক্রমণ হয়েছ সেগুলিকে মেরে ফেলে বেকিং সোডা। ফলে সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমে যায়। তাই তো আজও ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনের চিকিৎসায় এই ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য় নিয়ে থাকেন অনেকে।

২. পোকা-মাকড় কামড়ালে:

২. পোকা-মাকড় কামড়ালে:

একটা আলু কেটে ক্ষত স্থানে লাগিয়ে দিন। পাঁচ মিনিট আলুটা ঘষলেই দেখবেন জ্বালা কমে যাবে। আসলে আলুতে অ্যান্টি ইচিং এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা পোকা-মাকড়ের কামড়ানোর জ্বালা কমাতে সাহায্য় করে।

৩. আর্থারাইটিসের চিকিৎসায়:

৩. আর্থারাইটিসের চিকিৎসায়:

এক চামচ জিনের সঙ্গে পরিমাণ মতো কিশমিশ মিলিয়ে সারা রাত রেখে দিয়ে পরের দিন খান। এমনটা নিয়মিত করলে দেখবেন আথ্রারাইটিসের যন্ত্রণা এবং ফোলা ভাব কমে যাবে। প্রসঙ্গত, কিশমিশ এবং জিনে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান এবং বেশ কিছু ভিটামিন রয়েছে, যা এই ধরনের রোগের লক্ষণ কমাতে দারুন কাজে আসে।

৪. মুখের দুর্গন্ধ কমাতে:

৪. মুখের দুর্গন্ধ কমাতে:

পরিমাণ মতো সেলারি পাতা নিয়ে চিবোন। দেখবেন মুখের দুর্গন্ধ কমে যাবে। সেলারি দাঁতে জমতে থাকা প্লাক দূর করে। সেই সঙ্গে মুখের ভিতরে তৈরি হওয়া সালফার কম্পাউন্ডকেও নষ্ট করে। ফলে বাজে গন্ধ কমতে শুরু করে।

৫. চুল পড়া:

৫. চুল পড়া:

বিচুটি পাতা এই ধরনের সমস্য়ায় দারুন কাজে আসে। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্য়ালসিয়াম, আয়রণ, বিটা ক্য়ারোটিন, ফসফরাস, ভিটামিন-এ, সি, ডি এব বি কমপ্লেক্স। এই উপাদানগুলি চুল পড়া কমায়। এক কাপ জলে পরিমাণ মতো বিচুটি পাতা ফেলে সেই জল ফুটিয়ে নিন। তারপর পাতাটা ছেঁকে নিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন সমস্য়া কমতে শুরু করে দেবে।

৬. মনোপজের ক্ষেত্রে:

৬. মনোপজের ক্ষেত্রে:

রাঙা আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভটামিন- এ এবং সি রয়েছে, যা শরীরে হরমোনের ভারসাম্য় ঠিক রাখতে সাহয্য় করে। সেই সঙ্গে কোলেস্টরের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। তাই তো এই ধরনের সমস্য়ায় চোখ বুজে খাওয়া শুরু করতে পারেন এই সবজিটি। দেখবেন অল্প দিনেই ফল পাবেন।

৭. বদ হজম দূর করতে:

৭. বদ হজম দূর করতে:

রাতের খাবারের পর প্রতিদিন পাঁচটা এপ্রিকট খাবেন। দেখবেন বদহজম আপনার কাছে ঘেঁষতেও পারবে না। এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা খাবার হজম করতে সাহায্য় করে।

Story first published: Friday, January 27, 2017, 10:14 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion