খাদ্যতালিকায় এই সবজিগুলি থাকলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস, উপকারিতায় ভরপুর

By Bhagysree Sarkar

বর্তমানে নিত্যদিন নতুন নতুন রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। কখনও কোনও ভাইরাস আক্রমণ, তো কখনও আবার বর্ষার দিনে মশাবাহিত রোগের বাড়বাড়ান্ত। এসবের মধ্য
ডায়াবেটিস, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তো আছেই। এরমধ্যে ডায়াবেটিস একটি সাধারণ সমস্যা। যা বর্তমানে বাড়িতে বাড়িতে দেখা যাচ্ছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ এবং ইনসুলিনের ডোজ সহ একটি ভাল জীবনধারা এবং সুষম খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাওয়া-দাওয়া সুগার লেভেলের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের যতটা সম্ভব সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ শাক-সবজিতে অনেক পুষ্টি রয়েছে। যা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, শাক-সবজি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে কম ক্যালরি, কম কার্বোহাইড্রেট এবং উচ্চ ফাইবার থাকে।

ছবি সৌজন্য- pexels

তাই আপনি প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হয় না। সঙ্গে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ হয়। সব মানুষকে দিনে ২ থেকে ৩ বাটি সবজি খেতে হবে। যা হার্ট এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে উপকারী। অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে, তাহলে খাদ্যতালিকায় কোন শাক-সবজি যোগ করবেন?

পালং শাক-
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পালং শাক খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এই শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে। এতে খুব কম ক্যালোরি এবং কম কার্বোহাইড্রেট থাকে। ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন পালং শাক খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এটি হার্টের স্বাস্থ্যকেও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ব্রকলি-
ব্রকলি অনেকেই খেতে চান না। তবে বলে রাখা ভালো ব্রকলি ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ। এতে কম ক্যালোরি এবং কম কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এই কারণে ব্রকলি খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও ব্রকলি খেলে হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে। ব্রকলি সামগ্রিক স্বাস্থ্যকেও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

শসা-
আমরা সকলেই জানি শসা জলের একটি ভালো উৎস। শসাতে ৯৫% জল থাকে এবং এটি একটি কম ক্যালোরিযুক্ত সবজি। এটি খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। শসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। শসা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মূলাকে উপকারী হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এছাড়াও মূলা ফাইবার সমৃদ্ধ, যা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

টমেটো-
নির্দিষ্ট পরিমাণে টমেটো খাওয়া সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, এমনই বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কারণ, টমেটোতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি এবং অনেক উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই উপাদানগুলি প্রদাহ কমাতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ক্যাপসিকাম-
খাদ্যতালিকায় ক্যাপসিকাম রাখাও কিন্তু একটি ভালো অভ্যাস। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাপসিকামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফাইবার। এই উপাদানগুলি রক্তে শর্করাকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

Story first published: Wednesday, August 14, 2024, 14:37 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion