গরম থেকে বাঁচতে খাচ্ছেন ফলের রস, কিন্তু আদতে কি এটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প?

By Bhagysree Sarkar

চলছে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে কালঘাম ছুটছে আমজনতার। সূর্যের তাপ, উচ্চ তাপমাত্রা আর সেই সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া দেহের আর্দ্রতা কমিয়ে কর্মোদ্যম আর সুস্থতা ব্যাহত করছে আমাদের সবারই। আর এমন দাবদাহ পরিস্থিতিতে শরীরে জলের ঘাটতি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে চাইলে এই গরমে নিয়মিত জল পান করতেই হবে। আর এই বিষয় মাথায় রেখেই একদল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ গরমে জলের পাশাপাশি ফলের রস খান। চোখ বুজে এক গ্লাস ফলের রসের কথা ভাবলেই ভেতরটায় শীতল অনুভব হয়। এই ফলের রস আমাদের সতেজ রাখে। শুধু তাই নয়, শরীরে জলের খামতিতেও ভূমিকা রাখে।

কিন্তু আপনি যদি মনে করেন যে বাজারজাত ফলের রস খাওয়া অন্যান্য চিনিযুক্ত পানীয়ের চেয়ে ভালো, আপনি ভুল হতে পারেন। পুষ্টিবিদরা বলছেন, যেকোনও ফলের রসের পরিবর্তে খান পুরো ফল। ভাবছেন তাজা ফলের রস খাওয়া এই গ্রীষ্মে আপনার স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বিকল্প? এই ধারণা ভুল। স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বিরূপ প্রভাব রয়েছে। কীভাবে দেখুন-

ফাইবার সমৃদ্ধ নয়: দোকানে পাওয়া ফলের রসের মধ্যে চিনির পরিমাণ থাকে। এছাড়াও প্রয়োজনীয় ফাইবারের অভাব থাকে। এই ফাইবার হজমে সাহায্য করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দাঁতের জন্য ক্ষতিকর:বাজারজাত ফলের রস অ্যাসিডিক হতে পারে এবং এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকতে পারে। যা দাঁতের ক্ষয় এবং এনামেল ক্ষয়ে অবদান রাখতে পারে। বিশেষ করে যদি ঘন ঘন বা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়।

রক্তে শর্করার বৃদ্ধি ঘটায়: বাজারজাত ফলের রস আপনার রক্তপ্রবাহে দ্রুত চিনি নিঃসরণ ঘটায় সোডার মতোই। আর হতে পারে এগুলি আপনার ক্যালোরির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলছে।

পুষ্টির ক্ষতি: ফলের রস তৈরির প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর পুষ্টি হারিয়ে যায়। যার মধ্যে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। জুস বানানোর পরপরই না খেলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

ওজন বৃদ্ধি: এটি প্রায়শই অতিরিক্ত খাওয়া এবং সম্ভাব্য ওজন বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করে। পরিবর্তে ফাইবার সহ তাদের সমস্ত পুষ্টির সুবিধাগুলি থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য পুরো ফল খান। এগুলি আপনাকে শীতল রাখে এবং হজম নিয়ন্ত্রণ করে।

Story first published: Friday, May 3, 2024, 15:09 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion