Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Side effects of lukewarm water: সকালে উঠেই পান করছেন ঈষদুষ্ণ জল, বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
Side effects of lukewarm water: শীতের শুরু থেকেই ঈষদুষ্ণ জল (lukewarm water) পান করার প্রবণতা বাড়ে আমজনতার। ঘুম থেকে উঠেই আগে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জল পান করে, তবেই শুরু হয় দিন। আবার অনেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও ঈষদুষ্ণ জল পান করেন।
কারণ, এই শীতের মরশুমে ঈষদুষ্ণ জলের অনেক উপকারিতা (Benefits of lukewarm water) রয়েছে। ওজন ঝরানো থেকে খাবার হজম সবকিছুতে সাহায্য করে ঈষদুষ্ণ জল। কিন্তু এর অপকারিতার কথা কি জানেন আপনি?

হ্যাঁ, শুনে অবাক হলেও ঈষদুষ্ণ জল অনেকের জন্যই অসুবিধার কারণ হতে পারে। তাই অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওযা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে মানুষ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে ও ওজন কমাতে হালকা গরম জল পান করে থাকেন।
তবে এটি কিছু স্বাস্থ্য ঝুঁকিও (Side effects of lukewarm water) বাড়িয়ে তোলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ঈষদুষ্ণ জল পান আমাদের কী কী স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে (Drinking lukewarm water also increases health risks) তোলে-
- অ্যাসিডিটির সমস্যা
যারা অ্যাসিডিটিতে ভুগছেন, তাদের হালকা গরম জল পান করা উচিত নয়। ঈষদুষ্ণ জল পেটে অ্যাসিড বাড়াতে পারে, যা জ্বালাপোড়া, গ্যাসের মতো সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা জল পান করাই ভালো।
- উচ্চ জ্বর
উচ্চ জ্বরের সময় ঈষদুষ্ণ জল পান করা এড়িয়ে চলাই ভালো। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে শরীর এমনিতেই গরম থাকে, ঈষদুষ্ণ জল তা আরও গরম করে তুলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতেও সাহায্য করে। সঙ্গে হজমের জন্যও বেশি আরামদায়ক সাধারণ তাপমাত্রায় থাকা জল।
- জলশূন্যতার ঝুঁকি
হালকা গরম জলও কিন্তু ডিহাইড্রেশনের কারণ হতে পারে। যখন আমরা ঠাণ্ডা জল পান করি, তখন আমরা বেশি পরিমাণে জল পান করি। কিন্তু গরম জল বেশি পরিমাণে পান করা যায় না। এই কারণে শরীর পর্যাপ্ত জল পায় না এবং জলশূন্যতা হতে পারে।
- কিডনির উপর চাপ
অতিরিক্ত পরিমাণে হালকা গরম জল পান করলে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। কিডনিকে হালকা গরম জল ঠাণ্ডা করতে এবং শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। আপনি যদি দীর্ঘ সময় ধরে ঈষদুষ্ণ জল পান করেন, তবে তা কিডনির কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
- আলসারের সমস্যা
অনেকেই মনে করেন, হালকা গরম জল পান করলে পেটের আলসার সেরে যায়। তবে এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। মূলত, ঈষদুষ্ণ জল আলসারের ক্ষতগুলিতে আরও জ্বালা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এটি কেবল ব্যথা বাড়ায় না, আলসার নিরাময়েও বেশি সময় নিতে পারে।



Click it and Unblock the Notifications