ধূমপানে আসক্তি, বার বার ছাড়তে চেয়েও পারছেন না? ট্রাই করুন এই খাবারগুলি

By Bhagysree Sarkar

তামাক সেবন করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেই শারীরিক স্বাস্থ্যের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এসব জানা কমবেশি সকলেরই, তা সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ ধূমপান করে চলেছেন। বিড়ি, সিগারেট ও গুটখা সেবন আমদের শরীরে অনেক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তামাক সেবনের ফলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও ধূমপান করলে ক্যান্সার বা ফুসফুসের রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

আজ, ৩১ শে মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়। ধূমপানের ফলে হওয়া ক্ষতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রতিবছর সারা বিশ্বে পালিত হয় এইদিন। ১৯৮৭ সালে ধূমপানের ফলে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছিল মৃত্যুর হার। এরপরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে তামাকমুক্ত দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিকোটিনের নেশা এড়ানো হয়ত কঠিন। কিন্তু আপনি কী জানেন, কিছু খাবার রয়েছে যা ধূমপান ছাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে-

Smoking
  • পুদিনা

বাজারে পাওয়া পুদিনা ক্যান্ডি বা টফির আকারে পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞের মতে, এগুলি আপনাকে তামাক প্রত্যাহার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। আসলে, পুদিনার সাথে অ্যারোমাথেরাপিও বেশ কার্যকর বিকল্প। সাধারণত পুদিনা তামাক খাওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই মস্তিষ্কের ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

  • ফল এবং সবজি

আপনি যখন সিগারেট খান, তখন শরীরে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের শোষণ হ্রাস পায় এবং ভিটামিন সি-এর প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল এবং শাকসবজিগুলি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনার তামাকের প্রতি আসক্তির মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। মাস্কমেলন, তরমুজ, বেরি, কমলা ইত্যাদির মতো ফলগুলি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন যা আপনাকে পুষ্ট রাখবে এবং আপনার নিকোটিনের আগ্রহ কমায়। কিন্তু চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

  • জল

শুধু নিজেকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য নয়, আপনার নিকোটিন গ্রহণের আগ্রহ কমাতেও জল পান করা অপরিহার্য। যখনই আপনার নিকোটিন গ্রহণের আগ্রহ বাড়বে, তখনই এক গ্লাস জল দিয়ে নিজেকে বিভ্রান্ত করুন। তবে দয়া করে অ্যালকোহল এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয়গুলি এড়িয়ে চলুন।

  • দুধ

দুধ ধূমপানের স্বাদ ভোলাতে কার্যকর। ফলে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে চান এমন ব্যাক্তিদের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখে। দুধ, মাখন, দই ও পনিরে আছে 'কেইসিইন' নামক যৌগ। যা নিকোটিন গ্রহণের আগ্রহ কমাতে সহায়তা করে।

  • চুইংগাম

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুইংগাম মুখকে ব্যস্ত রাখে এবং ধূমপানের আগ্রহ কমায়। তবে বাড়তি ক্যালরি থেকে দূরে থাকতে চিনিমুক্ত চুইংগাম বেছে নিতে হবে। এতে মুখে লালার নিঃসরণ বাড়ে। যা দেহ থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে। সঙ্গেই কমায় ধূমপানের আগ্রহও।

  • গ্রিন টি

গ্রিন টিয়ের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট, যেগুলি নিকোটিনের প্রতি আসক্তি কমাতে উপযোগী। ধূমপান থেকে বিরত থাকতে কার্যকর পানীয় হল গ্রিন টি। এমনকি এটি মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক।

Story first published: Friday, May 31, 2024, 14:55 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion