রুক্ষ ত্বকের রুপচর্চা

By Lekhaka

অনেকের কাছেই রুক্ষ ও শুকনো ত্বক এক বীভিষিকা।শুকনো জায়গাটি দেখতে বাজে ও যেকোনও লোকের লজ্জার কারণ।শুকনো ও রুক্ষ ত্বকের অনেক পদ্ধতি আছে স্বাভাবিক করার।ঘরোয়া প্রাকৃতিক উপায় ছাড়াও প্রচুর কৃত্রিম ও রাসায়নিক ক্রিম ও জেল আছে।ত্বক চর্চার উপায় নির্ভর করে আপনি কী ধরণের পদ্ধতি মেনে চলেন।এই প্রবন্ধে আমরা এমন কিছু উপায় আলোচনা করব যা যে কোনও ত্বকের জন্য ব্যবহার করা যায়।শুকনো ত্বকের যত্ন নিতে সব উপায়ের মধ্যে এইগুলো সবচেয়ে ভাল।

ময়েশ্চারাইজার
শুকনো ত্বকের সব চেয়ে বেশি দরকার আদ্রতার।এই আদ্রতা বজায় রাখতে পারে সঠিক ময়েশ্চারাইজার।বাজারে হাজার রকমের ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়, কিন্ত বেছে নিন কোনটা আপনার ত্বকের জন্য মানাবে।ত্বককে নরম ও মোলায়েম করার জন্য দেখে নেবেন যেন তাতে কিু প্রাকৃতিক উপাদান থাকে।

রুক্ষ ত্বকের রুপচর্চা

স্ক্রাব
শুকনো ও রু্ক্ষ ত্বকের কারণ হল মৃত চামড়া।তাই এই রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রয়োজন স্ক্রাব।স্ক্রাব এই মৃত অপ্রয়োজনীয় চামড়াকে সরিয়ে সেখানে নতুন চামড়া আনতে সাহায্য করে।নতুন চামড়া তো তখনই হবে যখন পুরোনো সরে যাবে।আলমণ্ড বা বাদাম দিয়ে তৈরী স্ক্রাব খুব ভাল শুকনো এবড়ো খেবড়ো চামড়ার জন্য।

মধু
মধু একটি প্রাকৃতিক আদ্রতা রক্ষার মাধ্যম।তাই শুকনো রুক্ষ ত্বকে এটা লাগানো যায় ত্বকের পুনরজ্জীবনের জন্য।রুক্ষ এলাকায় সপ্তাহে একবার করে মধু লাগান।ক্ষতিগ্রস্থ চামড়ার ঠিক করার সাথে যদি ট্যান সারাতে চান, এর সাথে একটু লেবুর রস দিন।এতে চামড়া উজ্জ্বল হয় ও ত্বকের বর্ণেরও উন্নতি হয়।

দুধ ও ক্রিম
প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে দুধ ও ক্রিম খুব ভাল চামড়াকে নরম,মোলায়েম ও উজ্জ্বল করতে।বেশির ভাগ ময়েশ্চারাইজারেও ক্রিম থাকে।তাই রুক্ষ ত্বকে সোজাসুজি ক্রিম লাগানোর ভাল।নিশ্চিত রুপে এর ফল কিছু সপ্তা্হেই পাবেন।একটু হলুদের সাথে ক্রিম দিয়ে আপনি আপনার স্নানের সময়ও ব্যবহার করতে পারেন।ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরে ও নতুন চামড়া পুরোনো তৈরী হয়।শুকনো ও রুক্ষ ত্বকের জন্য এটা খুব ভাল একটা উপায়।

মূলতানি মাটি
মূলতানি মাটির তৈরী প্যাক্ শুকনো ও রুক্ষ চামড়ার জন্য খুব ভাল।মূলতানি মাটি চামড়ার কোনও ক্ষয়ক্ষতি সারায় ও নরম বানায়।তাই এবড়ো খেবড়ো চামড়ায় মাঝে মধ্যে মূলতানি মাটি লাগানো খুব ভাল ত্বকের জন্য।মূলতানি মাটি সহজেই পাওয়া যায় এবং সস্তাও।এটা রুক্ষ ত্বকের জন্য একটা খুব ভাল প্রাকৃতিক পদ্ধতি।

ওয়াক্স
ওয়াক্স করে চুল কামানো যায়।এটা করলে ত্বকের ওপরের মৃত কোষ সরিয়ে দেয়, যার ফলে চামড়া শুকনো ও ম্যাড়ম্যাড়ে লাগে।নিয়মিত ওয়াক্স করলে চামড়া উজ্জীবিত হয় এবং নতুন চামড়া হয়।প্রতি ২০-২৫ দিন অন্তর ওয়াক্স করা উচিত।এছাড়া ট্যান ও ময়লা দূর করে ওয়াক্স।

Story first published: Wednesday, November 23, 2016, 11:30 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion