বর্ষায় চুল উঠে টাক পড়ছে, অকালপক্কতা? সমাধান আপনার হেঁশেলে লুকিয়ে!

By Bhagysree Sarkar

মেথি বীজ, ভারতীয় পরিবারে পাওয়া যাওয়া খুব সাধারণ একটি মশলা। বিশেষ করে বাঙালিদের হেঁশেলে খুব সহজেই পাওয়া যায়। এর উপকারী পুষ্টিগুণ আপনার চুলের জন্য চমৎকারী হতে পারে। প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডের সমৃদ্ধ এই বীজ, আমাদের চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে। সঙ্গেই চুল পড়া রোধ করে। এগুলি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার, কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করে। বর্ষাকালে এইসব সমস্যা দ্বিগুণ বেড়ে যায়। যা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে মেথি।

যুগ যুগ ধরে চুলের যত্নে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মেথি। চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি ঘন কালো ও উজ্জ্বল চুলের জন্য মেথিদানা কার্যকর একটি উপাদান। মেথিতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, কে ও সি। এ ছাড়া মেথিতে থাকে ফলিক অ্যাসিড, পটাসয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন ও প্রোটিন। যা মাথার ত্বকের সংক্রমণ এবং খুশকির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করার পাশাপাশি চুল পড়া কমানো এবং প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। চুলের মাস্ক বা তেল হিসাবে নিয়মিত মেথির বীজ ব্যবহার করলে তা মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে পারে। এছাড়াও চুলের ফলিকলগুলিকে শক্তিশালী করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী উপকার করে-

ছবি সৌজন্য- pexels

চুল পড়া সমস্যা
চুল পড়া সত্যিই একটি বড় সমস্যা। অনেক কারণেই চুল পড়তে পারে। তবে দৈনিক গড়ে ৫০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত চুল পড়াকে স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। তবে বেশী করে চুল পড়া শুরু করলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা মেথির উপর ছেড়ে দেওয়াই শ্রেয়। চুল পড়ার সমস্যায় এবং চুলের যত্নে মেথির ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী।

চুলের খুশকি দূর করতে
খুশকি চুলের অন্যতম প্রধান সমস্যা। যা সাধারণত বয়:সন্ধিকালের পূর্বে দেখা যায় না। খুশকি হলে মোটামুটি সবাই বুঝতে পারে। একটু সচেতনতা ও যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে সহজেই খুশকিমুক্ত ঘন আর দীর্ঘ চুল পাওয়া যায়। এতে মেথি দারুন কাজ করে। খুশকি সাধারণত শুষ্ক ত্বক এবং ছত্রাক সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। মেথি মাথার পুষ্টি যোগায় এবং ছত্রাক সংক্রমণ রোধ করে।


চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজায়
মেথিতে প্রচুর পরিমাণে লেসিথিন রয়েছে। যা চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগায় এবং চুলের বৃদ্ধিতে ও চুল গজাতে কার্যকরী। এরজন্য আপনা একটি হেয়ার প্যাক বানাতে পারেন, যা এই সমস্যা রুখবে।

চুলের অকালপক্কতা রোধ
অল্প বয়সেই চুল পাকা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অপুষ্টি ও অযত্নের জন্যই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরে আয়োডিন ও ভিটামিনের অভাবে চুলের যে স্তরে রঙের কোষ তৈরী হয়, সেই স্তরের রঞ্জক কোষ তৈরী বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চুল সাদা হতে শুরু করে। অনেক সময় তীব্র মানসিক আঘাতে, জটিল অসুখেও কম বয়সে চুল সাদা হয়ে যেতে পারে।

Story first published: Tuesday, July 16, 2024, 18:16 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion