গোলাপ জলের সঙ্গে ভুলেও নয় এই ৫ উপাদান, হিতে বিপরীত হতে পারে!

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পেতে অনেকেই রোজের রূপচর্চা রুটিনে রাখে গোলাপ জল। প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সবচেয়ে ভাল উপায় এটি। গোলাপ জল ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে ত্বককে কোমল ও মসৃণ রাখে। ত্বকের কোষগুলিতে ময়লাও জমতে দেয় না।

তবে গোলাপ জলের সঙ্গে বেশ কিছু উপাদান ভুলেও মেশানো চলবে না। তাতে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। জেনে নিন, কোন কোন উপাদান গোলাপ জলে মিশিয়ে ত্বকে লাগানো উচিত নয়।

Rose Water for Skin Care

এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে গোলাপ জল
ত্বকের যত্নে অনেকেই গোলাপ জলের সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতি কারও কারও জন্য উপকারী হতে পারে। তবে যাদের অ্যালার্জি, হাঁপানি, অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস আছে, তাদের ত্বকে কিন্তু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই গোলাপ জলের সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল না মেশানোই ভাল।

উইচ হ্যাজেলের সঙ্গে গোলাপ জল
উইচ হ্যাজেল হল প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, উইচ হ্যাজেলের সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক আরও বেশি রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায় এবং জ্বালাপোড়াও হতে পারে।

বেকিং সোডার সঙ্গে গোলাপ জল
বেকিং সোডা অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। ব্রণের সমস্যায় খুবই কার্যকরী এটি। কিন্তু বেকিং সোডার সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করবেন না। কারণ এই মিশ্রণ ত্বকের পিএইচ মাত্রার ভারসাম্য নষ্ট করে। ত্বকের শুষ্কভাব বাড়িয়ে তোলে।

ভিনেগারের সঙ্গে গোলাপ জল
দাগছোপ, ব্রণ কমাতে ভিনেগার খুবই উপকারী। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বা়ড়িয়ে তোলে ভিনেগার। তবে গোলাপ জলের সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। ত্বক ম্লান হয়ে যায়। ব্রণ আর র‌্যাশের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

পাতিলেবুর রস ও গোলাপ জল
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তবে পাতিলেবুর রসের সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার না করাই ভাল। এই সংমিশ্রণ ত্বকের পিএইচ মাত্রাকে নষ্ট করতে পারে। ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়।

X
Desktop Bottom Promotion