চুল রুক্ষ হয়ে ডগা ফেটে যাচ্ছে? ঘরোয়া ৬ টোটকাতেই কাজ হবে ম্যাজিকের মতো!

ঘন কালো মসৃণ চুল পেতে কার না ইচ্ছে করে! কিন্তু অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, দূষণ, অযত্নের কারণে চুলের বারোটা বেজে যায়। সে ভাবে যত্ন নেওয়ার সময় হয়ে ওঠে না। চুলের ডগা ফাটা থেকে শুরু করে চুল পড়ে যাওয়া, চুলের ঠিক মতো বৃদ্ধি না হওয়া, রুক্ষ-শুষ্ক চুল, এই সব সমস্যায় হামেশাই নাজেহাল হতে হয়।

চুলের ডগা ফেটে গেলে একেবারেই দেখতে ভাল লাগে না। আর একবার চুলের ডগা ফেটে গেলে চুল তো বাড়েই না, বরং মাঝখান থেকে ভেঙে ঝরে পড়ে। চুল রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ দেখায়। তখন চুল কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না।

Hair Mask For Split Ends

চুলের ফাটার সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই নামীদামী প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন। কিন্তু সেগুলোতে কেমিকেল থাকায় চুলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু হেয়ার প্যাক ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এতে চুল পুষ্টিও পাবে, আর চুল ফাটার সমস্যাও দূর হবে।

ডিম এবং টক দই

২টো ডিম ফাটিয়ে কুসুমটা তুলে নিন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে নিন ভাল করে। এই মিশ্রণটি চুলে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এই হেয়ার প্যাক লাগাতে পারেন।

অ্যাভোকাডো এবং কলা

একটি অ্যাভোকাডো এবং একটি কলা একসঙ্গে ম্যাশ করে নিন। মিহি পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর হালকা গরম জলে মাথা ধুয়ে নিন।

নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল

২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগান। চুলের ডগায় বেশি করে লাগাবেন এই তেল। আধ ঘণ্টা শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।

ওটমিল, দুধ এবং মধু

তিন কাপ ওটস গুঁড়ো করে নিন। এর সঙ্গে এক কাপ দুধ, দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে চুলে, স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন ভাল ভাবে। আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিন।

অ্যালোভেরা এবং মধু

টাটকা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে নিন।

ক্যামোমাইল চা

ক্যামোমাইল চা বানিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। এই চা চুল ধোওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যামোমাইল তেল দিয়ে চুলে ম্যাসাজও করতে পারেন।

X
Desktop Bottom Promotion