বাজারচলতি কন্ডিশনার নষ্ট করছে চুল? ঘরোয়া উপকরণে বাড়িতেই তৈরি করে ফেলুন কলার কন্ডিশনার

ঘন, সিল্কি, মসৃণ চুল কার না ভাল লাগে বলুন তো! এর জন্য নামীদামী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করেন অনেকে। তবে বাজারের কন্ডিশনার যতো ভালই হোক না কেন তাতে কেমিক্যাল তো থাকবেই। নিয়মিত ব্যবহারে সেগুলি চুলের জন্য ক্ষতিকরও হয়ে উঠতে পারে। তার চেয়ে বাড়িতেই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে কন্ডিশনার তৈরি করে ফেলুন। ঘরোয়া কন্ডিশনার ব্যবহারে চুল সিল্কি ও সফ্ট হবে, পাশাপাশি চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাবে।

Homemade Banana Hair Conditioner

আজ আমরা আপনাদের জানাব কলার কন্ডিশনার তৈরির পদ্ধতি। কলায় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। শুষ্ক-রুক্ষ চুলের জন্য কলার কন্ডিশনার দারুণ উপকারি। এই কন্ডিশনার ব্যবহারে চুল ঘন, লম্বা এবং উজ্জ্বল হয়। তাহলে জেনে নিন কী ভাবে তৈরি করবেন কলার কন্ডিশনার।

উপকরণ

উপকরণ

২-৩টি পাকা কলা

২ টেবিল চামচ মধু

২ টেবিল চামচ নারকেল দুধ

১ টেবিল চামচ নারকেল তেল

২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল

আপনি চাইলে কলার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ দইও মেশাতে পারেন। এটি কন্ডিশনারটি আরও ঘন হবে।

তৈরির পদ্ধতি

তৈরির পদ্ধতি

কলার খোসা ছাড়িয়ে ছোটো ছোটো টুকরো করে কেটে নিন। এতে নারকেল দুধ, মধু ভালভাবে মেশান। তারপর নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল মেশাতে পারেন। এই সমস্ত উপাদানগুলি একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালভাবে ব্লেন্ড করুন, যাতে একেবারে ঘন পেস্ট তৈরি হয়। সুগন্ধের জন্য এতে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জলও মেশাতে পারেন।

কী ভাবে প্রয়োগ করবেন?

কী ভাবে প্রয়োগ করবেন?

প্রথমে চুল চিরুনি দিয়ে ভাল করে আঁচড়ে নিন। তারপর চুল হালকা ভিজিয়ে এই কন্ডিশনার লাগান। চুলের গোড়া থেকে একেবারে শেষ পর্যন্ত লাগান। পুরো চুলে লাগানো হয়ে গেলে শাওয়ার ক্যাপ পরে ৩০ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। তারপর চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এবার শ্যাম্পু করে নিন।

কলার হেয়ার কন্ডিশনারের উপকারিতা

কলার হেয়ার কন্ডিশনারের উপকারিতা

কলা আমাদের চুলকে গভীরভাবে কন্ডিশন করে। মধু এক ধরনের প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট, যা চুলকে ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। নারকেলের দুধে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্যাট, যা চুলকে মজবুত ও ঘন করে। নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল একসঙ্গে চুলের উজ্জ্বলতায় সাহায্য করে এবং চুলকে গভীরভাবে কন্ডিশন করে।

X
Desktop Bottom Promotion