কমলালেবুর খোসা না ফেলে মুখে মাখুন, ত্বক মসৃণ ও জেল্লাদার থাকবে সারা বছর!

শীতের অন্যতম আকর্ষণ কমলালেবু। শুধু যে সুস্বাদু বলেই এর এত চাহিদা, তা নয়। শীতে নিয়মিত কমলালেবু খেলে রোগবালাইও কম হয়। এর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে অসুখ বিসুখের হাত থেকে রেহাই মেলে।

লেবুর মতোই এর খোসারও কিন্তু অনেক গুণ। বিশেষ করে ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় কাজে লাগে কমলালেবুর খোসা। তাই এর খোসাগুলি ফেলে না দিয়ে জমিয়ে রাখুন। রূপচর্চার কাজে লাগবে সারা বছরই! কী ভাবে কমলালেবুর খোসা দিয়ে ত্বকের যত্ন নেবেন? রইল তার সন্ধান।

orange peel

কমলালেবুর খোসার ফেস মাস্ক

কমলালেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। টক দই বা মধুর সঙ্গে এই পাউডার ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। মিনিট পনেরো পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। কমলালেবুর এই ফেস মাস্ক ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ব্রণ-পিম্পলও কমায়।

বডি স্ক্রাব

কমলালেবুর খোসার গুঁড়োর সঙ্গে পরিমাণমতো চিনি আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। স্নান করার সময় এই মিশ্রণ বডি স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এই বডি স্ক্রাব ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ ও তরতাজা করে তোলে।

টোনার

কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে নিয়ে কয়েকদিন ডিস্টিল্ড ওয়াটারে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এই জল ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। টোনার হিসেবে মুখে লাগাতে পারেন কমলালেবুর খোসার এই জল।

কমলালেবুর খোসার তেল

কমলার খোসা ভালো করে শুকিয়ে একটি পরিষ্কার এয়ার টাইট জারে ভরে নিন। এই জারে জোজোবা বা আমন্ড অয়েল ঢেলে ঢাকা দিয়ে রাখুন কয়েক সপ্তাহ। তারপর তেলটা ছেঁকে নিন।

ফেসিয়াল অয়েল বা ম্যাসাজ অয়েল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন এই তেল। কমলার খোসার তেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের যে কোনও সমস্যা দূর করে।

চুলের যত্নে কমলালেবুর খোসা

কমলালেবুর শুকনো খোসা জলে ফুটিয়ে নিন কিছুক্ষণ। জলটা ঠান্ডা করে নিন। শ্যাম্পু করার শেষে এই জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের জেল্লা ফিরবে।

Disclaimer: এই আর্টিকেলটি ইন্টারনেটে উপলব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। এর সত্যতার দাবি করে না বোল্ডস্কাই বাংলা। কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

X
Desktop Bottom Promotion