ত্বকের হরেক মুশকিল আসান করবে টক দই! কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

একদিকে সংসারের কাজ, অন্যদিকে অফিস। সারা দিন ঘরে-বাইরের কাজ সামলাতে গিয়ে নিজের যত্ন নেওয়ার ফুরসত মেলে না। কাজেই আলাদাভাবে ত্বকের পরিচর্যা করারও প্রশ্ন ওঠে না। দিনের পর দিন এ ভাবে অবহেলার কারণে ব্রণ, ট্যান, ব়্যাশ, লালচেভাব, কালচে দাগছোপের মতো নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। যার ফলে স্বাভাবিক সৌন্দর্যে ঘাটতি পড়ে।

ত্বকের এই সব সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে টক দই। ব্রণ থেকে দাগছোপ, যে কোনও সমস্যায় দারুণ উপকারী দই। টক দইয়ের প্যাক মাখলেই, ত্বকের একগুচ্ছ সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন একসঙ্গে।

yogurt for skin

দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মরা চামড়া অপসারণ করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকে ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কমায়। এ ছাড়াও, দই জিঙ্ক সমৃদ্ধ, যা ত্বকে তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রদাহ কমায়। দই ব্যবহারে ত্বক হাইড্রেট থাকে এবং জেল্লা বাড়ে। দেখে নিন, গরমে ত্বকের পরিচর্যায় টক দই কী ভাবে ব্যবহার করবেন।

দইয়ের ফেস মাস্ক
এক টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পরে হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ফেস মাস্ক ত্বককে হাইড্রেট করে, ত্বকের প্রদাহ কমায়।

দই এবং ওটমিল বডি স্ক্রাব
টক দইয়ের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে নিন। স্নানের সময় এটি বডি স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এই স্ক্রাব ত্বকের মৃত কোষ দূর করবে। ফলে দেহের ত্বক আরও নরম ও মসৃণ হয়ে উঠবে।

দই এবং শসা আই মাস্ক
শসা গ্রেটকরে এক টেবিল চামচ দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। চোখের নীচের অংশে দই-শসার মিশ্রণটি লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রাখুন। এতে চোখের ফোলাভাব এবং কালো দাগছোপ কমবে।

দই এবং পাতিলেবুর রসের টোনার
এক টেবিল চামচ দইয়ের সঙ্গে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের pH লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং তেলতেলে ভাব কমায়।

দই এবং অ্যালোভেরা
রোদে ত্বক পুড়ে গিয়েছে? টক দইয়ের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এই মিশ্রণটি ত্বকের জ্বালাপোড়া, প্রদাহ কমাবে।

X
Desktop Bottom Promotion