মুলো দেখলেই নাক সিঁটকান বেশিরভাগ মানুষ। অনেকেই ঝাঁঝালো গন্ধের জন্য মুলো খেতে চান না, আবার অনেকেরই মুলো খেলে পেটে বায়ুর সমস্যা হয়। কিন্তু মুলোর উপকারিতা জানলে অবাক হবেন আপনিও!
Purabi Jana
ফোলেট, ফাইবার, রাইবোফ্ল্যাবেন, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ক্যালশিয়াম-সমৃদ্ধ মুলো নানা রোগভোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে।
মুলোয় ফোলেট বা ভিটামিন বি-এর উপস্থিতি লোহিত রক্তকণিকা সংশ্লেষণে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়।
মূলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে, যা শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে, পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতায় সাহায্য করে। এতে ক্যালসিয়ামও রয়েছে, যা কেবল হাড়ের শক্তিই বাড়ায় না, পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপও কমায়।
মুলোয় রয়েছে Glucosinolates নামক এক ধরনের সালফার-সমৃদ্ধ যৌগ আছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। ভবিষ্যতে ক্যান্সারে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন কোষগুলির নির্মূল প্রক্রিয়ায়ও সহায়তা করে এই যৌগ।
মূলা ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি। এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করবে। মুলোয় জলের পরিমাণ প্রায় শসার মতোই। ১০০ গ্রাম মুলোয় ৯৩.৫ গ্রাম জল রয়েছে।
ডায়াবেটিস রোগীরা ডায়েটে অবশ্যই মুলো যোগ করুন। এই সবজিটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
মূলা অ্যান্থোসায়ানিনের দারুণ উৎস। এটি এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ ফ্ল্যাভোনয়েড, যা হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত মুলো খেলে কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।