শীত বাড়তেই জয়েন্টের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে চাইলে দৈনন্দিন জীবনযাপন থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাসেও অনেকটাই বদল আনতে হবে।
Purabi Jana
স্যালমন, ম্যাকেরেলের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি থাকে। যে কারণে এই মাছগুলি জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে দারুণ কার্যকর।
মাটির নীচে হওয়া সবজিগুলি অর্থাৎ রসুন ও পেঁয়াজের মতো রুট ভেজিটেবিলে ডায়ালাইল ডিসালফাইড থাকে, যা এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যৌগ। এটি জয়েন্টের ব্যথা উপশম করে এবং সামগ্রিক জয়েন্ট হেল্থ ভাল রাখে।
শুকনো আদাই হোক বা টাটকা আদা, নিয়মিত আদা খেলে জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। তরকারিতে, চায়ে, মধুর সঙ্গে অথবা এক কাপ গরম জলে আদা দিয়ে খেতে পারেন।
বাদাম এবং বীজ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। আখরোট, আমন্ড, ফ্ল্যাক্সসীড, চিয়া সীড এবং পাইন বাদাম নিয়মিত খেলে জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে।
আপেল, ক্র্যানবেরি এবং এপ্রিকট জাতীয় ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এগুলি শরীর থেকে ক্ষতিকারক ফ্রি ব়্যাডিকেলস দূর করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া, অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ চেরি জয়েন্ট এবং পেশীর ফোলাভাব কমাতেও কার্যকর।
মটন বা মুরগির হাড়ের ঝোল আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এটি glucosamine, chondroitin এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিয়মিত হাড়ের ঝোল খেলে জয়েন্টের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
অলিভ অয়েল আনস্যাচুরেটেড, হেলদি ফ্যাট এবং ওমেগা-৩ এর দুর্দান্ত উৎস। এই তেলে ওলিওক্যানথাল রয়েছে, যা প্রদাহ থেকে মুক্তি দিতে পারে। তাই, আপনার দৈনন্দিন রান্নায় অথবা স্যালাডে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।