ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতে হয়। শুধু মিষ্টি বাদ দিলেই হবে না, বরং আপনি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কী কী রাখছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
Purabi Jana
সাদা পাউরুটি, পাস্তা এবং ভাত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটের উদাহরণ। এগুলি প্রক্রিয়াকরণের সময় ফাইবার অপসারিত হয়। ফলস্বরূপ, এই খাবারগুলি সরাসরি আপনার ব্লাড সুগার লেভেলকে প্রভাবিত করতে পারে।
মিষ্টি পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। এই ধরনের পানীয়গুলিতে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি থাকে, পাশাপাশি কোনও প্রোটিন, চর্বি বা ফাইবার থাকে না।
সাধারণ দই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই ভাল। তবে বিভিন্ন ফ্লেভারের দই কিন্তু একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। ফ্লেভারের দই সাধারণত নন-ফ্যাট বা লো-ফ্যাট দুধ দিয়ে তৈরি করা হয় এবং এতে কার্বোহাইড্রেট ও চিনির মাত্রা বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
ডায়াবেটিস রোগীরা কখনই ব্রেকফাস্টে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাবেন না। বেশিরভাগ সিরিয়াল অত্যন্ত প্রক্রিয়াজাত হয় এবং এতে অনেক বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা সরাসরি চিনিতে রূপান্তরিত হয়।
বেশি আলু খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। আলু উচ্চ GI বিভাগের অন্তর্গত। এক ক্যান সোডা যেমন ব্লাড সুগার লেভেল বাড়ায়, তেমনই এক কাপ আলুও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
ওট মিল্কে মল্টোজ নামক একটি নির্দিষ্ট ধরণের চিনি থাকে, এটিতে উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে। অন্যান্য ধরণের কার্বোহাইড্রেটের থেকে, মল্টোজ দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।
ডুমুর, আঙুর, আম, চেরি এবং কলায় কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্রুক্টোজ নামক প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যার ফলে এই ফলগুলি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফলগুলি একেবারেই ভাল নয়।