For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

প্রত্যেকেরই প্রতিদিন স্নান করার পর হলুদের টিকা পরা উচিত! কেন জানেন?

|

আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় হলুদের ব্যবহার বহু যুগ ধরে চলে আসছে। আর বাঙালি রান্নায় এই মশলিটর কদর যে কতটা, তা নিশ্চয় আর বলে বোঝাতে হবে না। কিন্তু আজকের এই লেখায় হলুদের এই পরিচিত দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে না। বরং এমন একটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করা হবে, যা আপনাকে অবাক করতে বাধ্য!

কী বিষয় তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আসলে বন্ধু হলুদ যে শুধু রান্নায় এবং চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়, এমন নয়। বরং হিন্দু শাস্ত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। একাধিক প্রাচীন পুঁথি অনুসারে নিয়মিত হলুদের টিকা কপালে লাগালে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমে যায়, যে কারণে কোনও ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না। সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধার বাড়ে, মনোযোগ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে এবং কালো যাদুর প্রভাব একেবারে কেটে যায়।

তবে এখানেই শেষ নয়, প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র নিয়ে যারা চর্চা করেন, তাদের মতে নিয়মিত স্নানের পর যদি অল্প করে হলুদের টিকা লাগানো যায়, তাহলে আরও অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...

১. বৃহস্পতি গ্রহের সুপ্রভাব পরে:

১. বৃহস্পতি গ্রহের সুপ্রভাব পরে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন যদি কপালে হলুদের টিকা লাগানে যায়, তাহলে জন্মকুষ্টিতে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান এতটাই শক্তিশালী হয় ওঠে যে তার প্রভাবে কর্মক্ষেত্রে উন্নতির পথ তো প্রশস্ত হয়ই, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে এবং পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়াও লাগে। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতি গ্রহের খারাপ প্রভাব কেটে যেতেও সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে বৃহস্পতিবার যদি হলুদের মূল, লকেট হিসেবে পরা যায়, তাহলে নাকি আরও বেশি মাত্রায় উপকার পাওয়া যায়।

২. পোখরাজের যথার্থ বিকল্প:

২. পোখরাজের যথার্থ বিকল্প:

নানা কারণে কি পোখরাজ স্টোন পরার প্রয়োজন পরেছে? এদিকে পেকেটে টাকা নেই! কোনও চিন্তা নেই! কারণ কপালে হলুদের টিকা লাগালে এবং হলুদের মূল সঙ্গে রাখলে পোখরাজ স্টোনের মতোই উপকার পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতি গ্রহ দুর্বল হয়ে পরলেই সাধারণত পোখরাজ স্টোন পরার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৩. স্ট্রেস কমে এবং মন শান্ত হয়:

৩. স্ট্রেস কমে এবং মন শান্ত হয়:

নানা করণে কি মানসিক চিন্তা আকাশ ছুঁয়েছে? তাহলে বন্ধু মন-মেজাজকে শান্ত করতে হুলদের টিকা লাগাতে ভুলবেন না যেন! এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে নিয়মিত কপালে হলুদের ঠিকা লাগালে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে রাগের মাত্রাও কমে। শুধু তাই নয়, মন-মেজাজ এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে প্রতিটা দিন আনন্দে কেটে যায়। তাই তো বলি বন্ধু, এবার থেকে স্ট্রেস ঘাড়ে চেপে বসলেই হলুদের টিকা লাগাতে শুরু করবেন। দেখবেন ফল পাবেন একেবারে হাতে-নাতে!

৪. গৃহস্থে খারাপ শক্তির প্রভাব কমে:

৪. গৃহস্থে খারাপ শক্তির প্রভাব কমে:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হলুদের টিকা পরার পাশাপাশি যদি বাড়ির সদর দরজার সামনে হলুদ দিয়ে সোয়াস্তিকা চিহ্ন আঁকা যায়, তাহলে গৃহস্থে খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বাস্তু দোষও কেটে যায়। ফলে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না।

৫. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতে:

৫. অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতে:

শাস্ত্র মতে প্রতিদিন হলুদ নিবেদন করে যদি মা লক্ষ্মী এবং গণেশ ঠাকুরের আরাধনা করা যায়, তাহলে মা এবং গণেশ দেব এতটাই প্রসন্ন হন যে তাঁদের আশীর্বাদে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলা মিটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো। শুধু তাই নয়, মা লক্ষ্মী এবং গণেশ ঠাকুরের দয়ায় পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়াও লাগে। ফলে পরিবারের অন্দরে সুখের ঝাঁপি খালি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।

৬. হলুদ জলের গুণ:

৬. হলুদ জলের গুণ:

প্রতিদিন এক গ্লাস জলে অল্প করে হলুদ মিশিয়ে কিছুক্ষণ ঠাকুর ঘরে রেখে দিন। তারপর সেই জল সারা বাড়িতে ছড়ালে দেখবেন গৃহস্থে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে খারাপ সময়ও কেটে যাবে। ফলে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে উঠতে দেখবেন সময় লাগবে না। আর ভাগ্য যখন সহায় হয়, তখন অফুরন্ত আনন্দের সন্ধান পেতে যে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য!

৭. টার্মারিক রাইসের গুনাগুণ:

৭. টার্মারিক রাইসের গুনাগুণ:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি বৃহস্পতিবার নিয়ম করে যদি ব্রাহ্মণদের টার্মারিক রাইস দান করা যায়, তাহলে বৃহস্পতি দেব এতটাই প্রসন্ন হন যে বৃহস্পতি গ্রহের খারাপ প্রভাব কেটে যেতে সময় লাগে না, সেই সঙ্গে মনের ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হয় চোখের পলকে।

Read more about: বিশ্ব
English summary

Spiritual Uses Of Turmeric In Hinduism

One of the most visible external symbols of Hindu identity is the mark that many of us wear on our forehead. Origin of this practice is unclear. But, in ancient times, when the Varna system predominated, people used to apply tilaks differently that represented their Varna. Brahmins applied a white chandan mark signifying purity. Kshatriyas wore a red tilak that signified their valour. Vaishyas wore a yellow (usually turmeric) tilak which signified prosperity as they were traders. The Sudras applied a black tilak representing their service to all the above three Varnas.
Story first published: Friday, December 7, 2018, 12:49 [IST]
X