For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পরিবেশ দূষণ এবং বিষ বাষ্পের হাত থেকে ফুসফুসকে বাঁচাবেন কীভাবে?

|

গত কয়েক দশকে সারা বিশ্বে পরিবেশ দূষণ মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েছে। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে ধূমপায়ীদের সংখ্যাও। তাই তো লাং ক্যান্সারের পাশপাশি ফুসফুসের নানাবিধ রোগের প্রসার ঘটেছে চোখে পরার মতো। এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে এই প্রবন্ধে আলোচিত নিয়মগুলি মেনে চলা জরুরি। এমনটা করলে দেখবেন এই বিষাক্ত পরিবেশের মধ্যে থেকেও আপনার ফুসফুসের স্বাস্থ্য একেবারে চাঙ্গা থাকবে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি করে শাক-সবজি এবং ফল খেলে তামাকের কু-প্রভাবের হাত থেকে ফুসফুস রক্ষা পায়। সেই সঙ্গে লাং সংক্রান্ত নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। আসলে শাক সবজিতে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ফসফুসকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ফলে কোনও রোগই সহজে ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে না।

তাহলে এখন প্রশ্ন, কী কী খাবার খেলে ফুসফসকে বহুদিন সুস্থ রাখা সম্ভব হবে? এই বিষয়ে জানতে চোখ রাখতে হবে বাকি প্রবন্ধে।

পেঁপে খান বেশি করে:

পেঁপে খান বেশি করে:

শরীরে ক্যারোটিনয়েডসের মাত্র যত বৃদ্ধি পাবে, তত ফুসফুসের উপর ধূমপান এবং পরিবেশ দষণের প্রভাব কম পরবে। আর এই উপাদানটি বেশি মাত্রায় পাওয়া যায় পেঁপেতে। তাই তো বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে বেশি করে এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, কমলা লেবু এবং গাজরেও প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। তাই ইচ্ছা হলে এই ফলগুলিও খেতে পারেন।

সবজি খেতে হবে:

সবজি খেতে হবে:

ব্রকলি, কর্নফ্লাওয়ার এবং বাঁধাকপি জাতীয় ক্রসিফেরাস সবজি বেশি করে খাবেন। কেন জানেন? কারণ এই ধরনের সবজিগুলিতে সালফোরেফেন নাম একটি উপাদান থাকে, যা ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। প্রসঙ্গত, ধূমপান, পরিবেশ দূষণ এবং আরও নানা কারণে যেভাবে লাং ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে এই জাতীয় সবজি প্রতিদিনের ডায়েটে থাকা মাস্ট!

সামদ্রিক মাছে খাবেন প্রতিদিন:

সামদ্রিক মাছে খাবেন প্রতিদিন:

সলমন, ম্যাকারেল এবং সার্ডিন জাতীয় সামদ্রিক মাছ বেশি করে খেতে হবে। কারণ এই ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ফুসফসকে চাঙ্গা রাখার পাশপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পালং শাক খাওয়া জরুরি:

পালং শাক খাওয়া জরুরি:

ফুসফুসকে ভাল রাখতে শরীরের প্রয়োজন ফলেটের। আর পালং শাক এই উপাদানটির ঘাটতি মেটাতে দারুনভাবে কাজে আসে। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ঘূমপান এবং মদ্যপান বেশি করলে শরীরে ফলেটের পরিমাণ কমে যেতে শুরু করে। তাই তো এই ধরমের কু-অভ্যাস যাদের আছে তাদের বেশি করে পলং শাক খাওয়া উচিত।

ক্ষত সারাতে:

ক্ষত সারাতে:

বিষাক্ত বাতাস, সেই সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে ধূমপানের কারণে ফুসফুসে মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়। এই আঘাত সারাতে নিয়মিত সবজি খেতে হবে। কারণ এতে রয়েছে ইনডোল-৩-কার্বিনল, যা ফুসফুসের আঘাত সারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

রেড মিট খাওয়া একেবারেই চলবে না:

রেড মিট খাওয়া একেবারেই চলবে না:

এখন যা পরিস্থিতি তাতে রেড মিট খাওয়া যতটা সম্ভব কমিয়ে ফলতে হবে। প্রয়োজনে এমন মাংস খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিতে হবে। কারণ রেড মিট বেশি মাত্রায় খেলে লাং ক্যান্সারসহ নানাবিধ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

English summary

পরিবেশ দূষণ এবং বিষ বাষ্পের হাত থেকে ফুসফুসকে বাঁচাবেন কীভাবে?

Quit smoking! Only then, it is possible to minimise the risk of lung cancer! Statistics say that more than 85% of the deaths caused by lung cancer are due to smoking.
Story first published: Thursday, March 30, 2017, 12:48 [IST]
X