For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মাথার যেখান-সেখান থেকে চুল উঠে যাচ্ছে? এই বিচিত্র রোগে আক্রান্ত নন তো!

|

মাথার চুলের প্রতি দুর্বলতা কিন্তু প্রত্যেক মানুষেরই কম-বেশি থাকে। নিজেকে সুন্দর রাখতে এবং দর্শনধারী করে তুলতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের চুলের স্টাইল করে থাকেন মানুষ। কিন্তু এর মাঝে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় হেয়ার ফল বা চুল পড়া। আর বর্তমান দিনে চুল পড়ে যাওয়াটা যেন রোজকার একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহিলা থেকে পুরুষ, বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলেই চিন্তিত হেয়ার ফল নিয়ে। যেকোনও বয়সের মানুষের কাছেই চুল পড়ে যাওয়াটা কিন্তু চিন্তার বিষয়।

কখনও দেখা যায় মাথার তালুর একটা বিশেষ অংশ থেকে চুল উঠে যাচ্ছে, আবার কখনও মাথার পেছন থেকে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন তাদের অভিভাবকেরা। কিন্তু যদি হঠাৎ করে মাথার যেখান সেখান থেকে গোলাকারভাবে চুল উঠতে শুরু করে তখন কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা প্রয়োজন। চিকিৎসকদের মতে, এই জাতীয় সমস্যার জন্য দায়ী শরীরের অটোইমিউন ডিজিজ (Autoimmune Disease)। ডাক্তারি ভাষায় এই জাতীয় রোগকে বলা হয় 'অ্যালোপেসিয়া' (Alopecia)। তবে চলুন আজকের আর্টিকেল থেকে এই রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

কোন কোন ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়?

কোন কোন ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা যায়?

শুধু মাথার চুল নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশের যেমন - ভ্রু এবং দাড়ির চুলের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা দেখা দেয়। পাশাপাশি নখ উঠে যাওয়ার প্রবণতাও দেখা দেয়।

প্রকারভেদ

প্রকারভেদ

বিভিন্ন ধরনের 'অ্যালোপেসিয়া' দেখা যায়, প্রতিটি ধরনের আলাদা আলাদা উপসর্গ বা লক্ষণ হয়।

১) অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা (Alopecia Areata)

২) অ্যালোপেসিয়া ইউনিভার্সালিস (Alopecia Universalis)

৩) ডিফিউজ অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা (Diffuse Alopecia Areata)

৪) ওফিয়াসিস অ্যালোপেসিয়া (Ophiasis Alopecia)

৫) অ্যালোপেসিয়া টোটালিস (Alopecia Totalis)

ল্যাপটপ ব্যবহার করার সময় এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করুন, সুস্থ থাকুন

রোগের লক্ষণ

রোগের লক্ষণ

১) গোলাকার আকৃতিতে চুল উঠে যাওয়া। এক্ষেত্রে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন বালিশের উপরে চুল পড়ে থাকতে।

২) চোখের পাতা, ভ্রু ও দাড়ি থেকে হঠাৎ চুল উঠে যাওয়া।

৩) অ্যালোপেসিয়া টোটালিসের ক্ষেত্রে স্কাল্পের সম্পূর্ণ চুল উঠে যেতে পারে।

৪) অ্যালোপেসিয়া ইউনিভার্সালিসের ক্ষেত্রে সারা শরীরের চুল উঠে যায়।

৫) অ্যালোপেসিয়া কখনও কখনও নখকেও নিষ্প্রাণ ও রুক্ষ করে তোলে। ফলে নখ ভেঙেও যায়। এটি আবার এই রোগের প্রথম উপসর্গ হতে পারে।

কাদের মধ্যে প্রবণতা বেশি দেখা দেয়?

কাদের মধ্যে প্রবণতা বেশি দেখা দেয়?

অ্যালোপেসিয়া সমস্ত বয়সের মানুষের হতে পারে, পাশাপাশি বাচ্চাদের মধ্যেও এই প্রবণতা দেখা যায়। বাবা-মা এর অ্যালোপেসিয়া থাকলে সন্তানকেও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের মতো রোগে ভুগছেন, তাদের এই জাতীয় সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তবে মনে রাখবেন, এটি কিন্তু কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। এটি জিনগত (১০-২০ শতাংশ ক্ষেত্রে) এবং অটোইমিউন রোগ হিসেবে চিহ্নিত।

রোগ নির্ণয়

রোগ নির্ণয়

রোগের লক্ষণ দেখে এই রোগটি ত্বক বিশেষজ্ঞরাই নির্ণয় করেন। এছাড়া রক্ত পরীক্ষা, ভালভাবে চুল পরীক্ষা করা এবং অ্যালোপেসিয়া নিশ্চিত করার জন্য ত্বকের বায়োপসিও করা হয়।

চিকিৎসা

চিকিৎসা

সময় নিলেও প্রাথমিক কিছু চিকিৎসা করলে এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব। বিভিন্ন ওষুধ, ইনজেকশন এবং আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মিকে কাজে লাগিয়ে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। এক্ষেত্রে, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

    English summary

    Alopecia : Causes, Symptoms And Treatment

    Everything You Need To Know About Alopecia (Hair Loss). Read on.
    X