হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েলের ৮টি মুখ্য স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় উপকার

By: Anindita Sinha
Subscribe to Boldsky

হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েলের অগণিত স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় উপকার থাকার দরুন, বিভিন্নি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার মোকাবিলার জন্য, এটি একটি সত্যিকারের পছন্দ। এই এসেনশিয়াল-ওয়েলে উল্লেখযোগ্য কিছু উপাদান রয়েছে, যা এটিকে নিরাময়ের জন্য সেরা প্রাকৃতিক উপাদানগুলির মধ্যে অন্যতম বানিয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, হলুদের ওয়েলে প্রদাহ দুরকারী ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের সাথাসাথে, কারকিউমিনের উপস্থিতি, একে অভাবনীয়ভাবে ক্ষমতাশালী এসেনশিয়াল-ওয়েল বানিয়েছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে, অ্যারোমা-থেরাপি ও অন্যান্য পরম্পরাগত চিকিৎসায় এই এসেনশিয়াল-ওয়েলের ব্যবহার একে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সাহায্য করেছে। বিশেষত, এখন যখন বেশিরভাগ মানুষেরা কিছু বিনা প্রেসক্রিপশনের ওষুধের যন্ত্রণাদায়ক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে ভালমতো ওয়াকিবহাল।

আপনার শরীর ও সুস্বাস্থ্যের জন্য হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েল কি কি উপায়ে আপনার উপকার পারে, তা সহজ করে বলতে আজ বোল্ডস্কাই আপনাদের জন্য এর একটি লিস্ট তৈরি করে এনেছে। যদিও এই ওয়েলটি নিশ্চিতভাবে সবকিছু সারিয়ে দেয় না, তবুও সমস্যার নিবারণে ও ব্যাথা সংক্রান্ত উপসর্গের থেকে নিস্তার পেতে, এটি অবশ্যই একটি বড় ভূমিকা পালন করে।

আসুন একবার দেখে নেওয়া যাক এই উল্লেখযোগ্য উপকারগুলি।

দ্রষ্টব্যঃ যদি আপনি কোন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তবে নতুন কিছু আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আগে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

১. গাঁটে ব্যাথার থেকে পরিত্রাণ দেয়ঃ

হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েল, একধরণের ক্ষমতাশালী প্রদাহ দূরকারী এজেন্ট রয়েছে, যা গাঁটের আঁকড়ে যাওয়া বা ব্যাথা থেকে নিস্তার পেতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যেসব মানুষেরা আর্থারাটিসে ভুগছেন তাদের জন্য এই এসেনশিয়াল-ওয়েলে অপরিহার্য রকম উপকারী প্রামানিত হতে পারে।

২. সু-পরিপাকে সহায়কঃ

হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েলের আরেকটি উপকার হল, এটি পরিপাক সম্বন্ধীয় সমস্যা প্রতিহত করে। পেট-ফোলা ভাব হোক বা কোষ্ঠকাঠিন্য, আপনার খাবারে হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েল যোগ করলে তা পাচনতন্ত্রের সমস্যায় উপকার দেয়।

৩. মধুমেহ রোগ নিয়িন্ত্রণে রাখেঃ

যারা ব্লাড সুগার বা মধুমেহ রোগে ভুগছেন তারাও এই এসেনশিয়াল-ওয়েলের সেবনে উপকৃত হতে পারেন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন নামক হলুদে উপস্থিত এক নির্দিষ্ট উপাদান কার্যকর ভাবে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।

৪. ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধেঃ

ডাইমেনশিয়া হল, একসাথে এমন কিছু মিলিত পরিস্থিতি যেগুলি মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপের সাথে সমন্বয় তৈরি না করার ফলে মস্তিষ্ক দক্ষতা কমে যায়। হলুদের এসেনশিয়াল-ওয়েলে উপস্থিত নির্দিষ্ট একধরণের উপাদান ডামেনশিয়াকেও কোনঠাসা করতে সক্ষম।

৫. ত্বক ও চুলকে সুন্দর করে তোলেঃ

চমৎকার ত্বক ও আকর্ষনীয় চুল পেতে, সারা বিশ্ব জুরে মহিলারা প্রাচীনকাল থেকে হলুদ ব্যবহার করে আসছেন। এখন, চমৎকার ত্বক ও চুল পেতে, আপনিও এই এসেনশিয়াল ওয়েল নিজেদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

৬. উদ্বেগের থেকে নিস্তার দেয়ঃ

যেসব মানুষেরা ব্যবহার করেছেন তারা এই এসেনশিয়াল ওয়েলকে উদ্বেগ প্রশমণে কার্যকর বলে দাবি করে আসছেন। এই কারণেই অ্যারোমা-থেরাপিতে, স্নায়ুকে শান্ত করে স্ট্রেস বা উদ্বেগকে প্রশমিত করতে ব্যাপকভাবে হলুদের এসেনশিয়াল ওয়েল ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

৭. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়কঃ

কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই এসেনশিয়াল ওয়ালের অ্যান্টি-ক্যান্সারাস বৈশিষ্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে একটা মুখ্য ভুমিকা পালন করে। আপনার শরীর ও সামগ্রিক সুস্বাস্থ্যের জন্য এই প্রতিশ্রুতিশীল এসেনশিয়াল ওয়েলকে নিজেদের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

৮. লিভারকে সুস্থ রাখেঃ

লিভারকে সুস্থ রাখতে নিজেদের খাদ্য তালিকাতে হলুদের এসেনশিয়াল ওয়েলকে অন্তর্ভুক্ত করুন। কারণ এটি কেবলমাত্র, এই অঙ্গটির নির্বিষীকরণই করে না বরং সংক্রমণকেও দুরে সরিয়ে রাখে। এই এসেনশিয়াল ওয়েলে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণের সাথে লড়তে সক্ষম।

Story first published: Saturday, October 29, 2016, 14:00 [IST]
English summary
The numerous health benefits of turmeric essential oil has made it a true-favourite for dealing with a wide array of health issues. The remarkable compounds present in this essential oil make it one of the best healing natural ingredients out there.
Please Wait while comments are loading...